২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৩০ মার্চ
২৪ জুলাই মামলায় কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৩০ মার্চ

২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৩০ মার্চ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ৩০ মার্চ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ দেবে। বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্যের আদেশ জারি করেছেন।

ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম ও আইনজীবীদের আবেদন

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ট্রাইব্যুনালে তাদের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। গত ২ মার্চ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আরজি জানিয়েছিলেন, এবং ট্রাইব্যুনাল এ বিষয়ে আদেশের জন্য ৩০ মার্চ দিন ঠিক করেছেন।

অভিযোগের বিবরণ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

এই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, তারা আওয়ামী লীগ সরকার ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির প্ররোচনাসহ ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র করেছিলেন। এর ফলে রাজধানীর বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের হত্যা করা হয়েছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বুধবার সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১ ২৩ জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতার ও বর্তমান অবস্থা

২০২৪ সালের ২২ আগস্ট রাশেদ খান মেননকে গ্রেফতার করে পুলিশ, এবং একই বছরের ১৮ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরা থেকে কামরুল ইসলাম গ্রেফতার হন। এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন এই প্রভাবশালী দুই নেতা। আদালতের এ সিদ্ধান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রগতি নির্দেশ করে।