আইসিটির নতুন প্রধান প্রসিকিউটর: দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা
আইসিটিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা

আইসিটির নতুন প্রধান প্রসিকিউটর: দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) নতুন প্রধান প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট কেউ দুর্নীতিতে জড়িত থাকলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুর্নীতিমুক্ত ট্রাইব্যুনালের প্রত্যয়

দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "আমার মেয়াদে আমি, কোনো প্রসিকিউটর বা ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট কেউ দুর্নীতিতে জড়িত থাকলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা প্রমাণ করব যে এই ট্রাইব্যুনাল সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করব।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনাল পরিচালিত হবে এবং গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়া জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিয়োগ ও পদমর্যাদা

সোমবার সরকার মো. আমিনুল ইসলামকে আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে তাকে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের মর্যাদা, পদ ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর উইং এই বিষয়ে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

একই বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ তাজুল ইসলামের আইসিটি প্রধান প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। নতুন প্রধান প্রসিকিউটরের নিয়োগ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে নতুন গতিশীলতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আন্তর্জাতিক মানের বিচার নিশ্চিতকরণ

মো. আমিনুল ইসলামের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে তার নেতৃত্বে আইসিটি একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। তিনি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার উপর জোর দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এই নিয়োগের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। নতুন প্রধান প্রসিকিউটরের ঘোষণা অনুযায়ী, আইসিটির কার্যক্রমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই হবে মূল লক্ষ্য।