ছাত্রলীগ নেতা ফারহান তানভীর নাছিফ ও মাইক্রোবাসচালক রুবেলের ১ দিনের রিমান্ড
ছাত্রলীগ নেতা ফারহান তানভীর নাছিফের ১ দিনের রিমান্ড

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহান তানভীর নাছিফ ও তার সঙ্গে থাকা মাইক্রোবাসচালক রুবেল মিয়াকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১১ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন।

আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ রিমান্ড চেয়ে শুনানি করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ১ মে একই মামলায় আদালত তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মামলার এজাহারে যা বলা হয়েছে

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফারহান তানভীর নাছিফ (২৪) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং স্যার এ এফ রহমান হলের ২০৯ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র। তিনি হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, সরকার কর্তৃক ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও সংগঠনের কার্যক্রম সচল রাখতে তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত শনিবার ভোর আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটে টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের সামনে নিষিদ্ধ সংগঠনের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী জড়ো হয়ে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক স্লোগান দিচ্ছিল। তারা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং কথিত ‘কালো আইন’ বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেয় বলে অভিযোগ করে। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাছিফ ও রুবেলকে একটি মাইক্রোবাসসহ আটক করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও ২০-২৫ জন পালিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও রিমান্ডের কারণ

এ ঘটনায় শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাইনুল ইসলাম বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধীআইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, আসামিরা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তাদের জামিন দেওয়া হলে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মামলার রহস্য উদঘাটনে তাদের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।