ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত থেকে হাতকড়াসহ দুই আসামির পলায়ন, একজন আটক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত থেকে হাতকড়াসহ আসামির পলায়ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের বারান্দার গেট থেকে হাতকড়াসহ মাদক মামলার দুই আসামি পালিয়ে গেছে। পরে স্থানীয় জনতার সহায়তায় একজনকে আটক করা সম্ভব হলেও অপরজন পলাতক রয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের কানাইনগর থেকে দুই কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি শাহীন মিয়া (২৯) ও সজল মিয়াকে (২৯) গ্রেফতার করে বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশ। পরে মাদক মামলায় দুই আসামিকে মঙ্গলবার বিকালে একটি মাইক্রোবাসে অন্য আসামিদের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনছিল পুলিশ। তাদের আদালতে সোপর্দ করার আগেই শাহীন ও সজল হাতকড়াসহ কৌশলে আদালত ভবনের নিচতলার বারান্দার গেট থেকে পালিয়ে যায়। পরে আসামি গণনার সময় জানা যায় দুই আসামি পালিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অ্যাডভোকেট আরাফাত ও ইয়াসিন মিয়া জানান, আদালতের বারান্দার গেট থেকে দুই আসামি হাতকড়াসহ পালিয়ে যায়। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়রা ধাওয়া করে সজল মিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। তবে অপর আসামি শাহীন মিয়া পালিয়ে যায়। এ নিয়ে আদালতপাড়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনজীবী সমিতির প্রতিক্রিয়া

এদিকে, এই ঘটনায় আদালত পুলিশের পক্ষ থেকে কেউ ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মফিজুর রহমান বাবুল বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এই ঘটনাটি ঘটেছে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পলাতক আসামির পরিচয়

জানা গেছে, শাহীন ও সজল বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গার বিল ইউনিয়নের কাশিনগর গ্রামের বাসিন্দা। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পলাতক আসামি শাহিনকে গ্রেফতার করার জন্য অভিযান চলছিল। এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার শাহ্ মো. আব্দুর রউফ ও আদালত পুলিশের ইনচার্জ মো. হাবিবুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।