জঙ্গিবাদ নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে পার্থক্য নেই
জঙ্গিবাদ নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে পার্থক্য নেই

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, দেশে জঙ্গি আছে কি নেই- এ নিয়ে তাঁর মন্তব্য এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে খুব বেশি পার্থক্য নেই। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছেন যে দেশে এক্সট্রিমিজম বা উগ্রবাদের অস্তিত্ব রয়েছে। তিনি হয়তো 'জঙ্গিবাদ' শব্দটি ব্যবহার করতে চাননি, কিন্তু মূল বক্তব্যে আমাদের মধ্যে কোনও বড় পার্থক্য নেই। এটিকে জঙ্গিবাদ বলুন বা উগ্রবাদ বলুন, এক ধরনের নিম্নমাত্রার ঝুঁকি বা লো-ইনটেনসিটি থ্রেট যে আছে, সেটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। না হলে সরকার সতর্কতা বা এলার্ট জারি করত না।

আওয়ামী লীগের সময় জঙ্গিবাদ অতিরঞ্জিত

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে জঙ্গিবাদের বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং সেটিকে রাজনৈতিক ন্যারেটিভ তৈরির অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আবার অন্যদিকে কেউ যদি বলে দেশে একেবারেই কোনও উগ্রবাদ বা চরমপন্থা নেই, সেটিও বাস্তবসম্মত নয়। দুটি অবস্থানই নেতিবাচক।

গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে রসিকতা

ডা. জাহেদ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে অনেক রসিকতা হয়েছে- তিনি নাকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চেয়েও বেশি গোয়েন্দা তথ্য জানেন। বিষয়টি দেখে তাঁর ভালোই লেগেছে। তবে বাস্তবতা হলো, এ ধরনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার সব তথ্য সবসময় প্রকাশ্যে বলতে পারে না। ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে, এ বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অবগত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঝুঁকি কমছে, কিন্তু সতর্কতা বহাল

তিনি বলেন, যখনই গ্রেফতার বা উল্লেখযোগ্য কোনও ঘটনা ঘটবে এবং সরকার মনে করবে জনগণকে জানানো প্রয়োজন, তখন যথাসময়ে তা জানানো হবে। তিনি এটুকু বলতে পারেন, আগে যে ঝুঁকির কথা বলা হয়েছিল, এখন সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে এবং ধীরে ধীরে আরও কমছে। তবে বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা এখনও বহাল রাখা হয়েছে। তাঁর ধারণা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন স্থায়ী হবে না।