সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন
সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি

সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। ১১ সদস্যের এই কমিটিতে সহসভাপতি পদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং প্রধান সমন্বয়ক পদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম রয়েছেন।

কমিটির কার্যপরিধি

কমিটি সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি, ক্ষেত্র ও পরিধি নির্ধারণ করবে এবং এ বিষয়ে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।

সদস্যবৃন্দ

কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ ছাড়া কমিটিতে স্পেশাল ব্রাঞ্চ অব পুলিশের (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তা, জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সহায়তাকারী কর্মকর্তা হিসেবে থাকবেন। প্রয়োজনে কমিটিতে সদস্য বা সহায়তাকারী কর্মকর্তা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কো-অপ্ট করা যাবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কমিটির অন্যান্য দায়িত্ব

কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে আরও রয়েছে সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে কমিটি নির্ধারিত বিষয়গুলোর ওপর একটি সমন্বিত কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংস্থাগুলোর কার্যপরিধি এবং ক্ষেত্র নির্ধারণ, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে সংশোধন ও সংস্কার এবং নতুন আইন-বিধি বিধান প্রণয়নে সুপারিশ করা এবং কমিটি নির্ধারিত সব ধরনের ক্ষেত্র, সংস্থা ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়মিতভাবে তদারকির ব্যবস্থা গ্রহণ ও সে অনুযায়ী গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধন ও নির্দেশনা দেওয়া।

সভা ও সচিবালয়

প্রতি তিন মাসে বা প্রতি মাসে ন্যূনতম একবার কমিটির সভা হওয়ার কথা রয়েছে। এনএসআই কমিটির সচিবালয়–সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সুবিধা দেবে। তবে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সভাপতির নির্দেশে পরবর্তী সময়ে অন্য যেকোনো গোয়েন্দা সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংস্থা নির্ধারিত মেয়াদে কমিটির সচিবালয়ের দায়িত্ব পালন করতে পারবে।

পৃথক আরেক প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা–সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি’ পুনর্গঠন করা হয়েছে।