টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে আমিনুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যায় আমিনুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে আমিনুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রায় পাঁচ বছর আগে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের বিচারিক রায় ঘোষণা করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান সোমবার আমিনুল ইসলাম (৪০) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন। এ ছাড়া তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ ও তদন্ত প্রক্রিয়া

আমিনুল ইসলাম টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার খামার কাছড়া গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে। তিনি ২০২১ সালের ২০ নভেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁর স্ত্রী মিনারা বেগমকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। বিয়ের পর থেকেই তাঁদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ রয়েছে।

ঘটনার পর আমিনুল ইসলাম নিজেই ঘাটাইল থানায় ফোন করে স্ত্রী হত্যার খবর দেন এবং গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে আমিনুলকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন নিহত মিনারার বাবা মুন্নাফ শেখ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের কার্যক্রম ও রায় ঘোষণা

আমিনুল ইসলাম আদালতে তাঁর অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক মো. মতিউর রহমান ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত ২০২২ সালের ৮ জুন অভিযোগ গঠন করেন এবং ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম (রিপন)। ঘটনার পর থেকেই আমিনুল ইসলাম কারাগারে ছিলেন এবং রায় ঘোষণার সময় তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। রায়ের পর তাঁকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এই রায় সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি পরিবারিক সহিংসতা ও হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ