কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহরণের শিকার এক কিশোরীকে উদ্ধার করতে গিয়ে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ ও মারধরের অভিযোগ ওঠায় পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম মো. আরকানুল ইসলাম। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে মারধরের এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার বিবরণ
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার এক কিশোরীর বাবা গতকাল চকরিয়া থানায় মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই কিশোরী পবিত্র ঈদুল আজহার দিন থেকে নিখোঁজ ছিল। মামলায় কিশোরীর বাবা ফাঁসিয়াখালী এলাকার নুরুল আমিন নামের এক যুবককে আসামি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক মো. আরকানুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ফাঁসিয়াখালী এলাকায় অভিযান চালায়।
মারধর ও ভাঙচুর
সেখানে নুরুল আমিন ও কিশোরী দুজনকেই মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে বহনকারী সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও পিকআপ ভ্যানের কাচ ভাঙচুর করেন। পরে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেনের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আহতের অবস্থা
এ ঘটনায় নুরুল আমিনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তাঁর স্বজনেরা জানিয়েছেন।
পুলিশের বক্তব্য
চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, একজন অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করতে গিয়ে ছোট ঝামেলা হয়েছে। শক্তি প্রয়োগের অভিযোগে এসআই আরকানুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। ওই কিশোরী এখন পুলিশ হেফাজতে আছে। তাকে অপহরণের অভিযোগে চকরিয়া থানায় নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।



