সাংবাদিকতা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পেশা: মির্জা ফখরুল
সাংবাদিকতা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পেশা: মির্জা ফখরুল

সাংবাদিকতা পেশাকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাংবাদিকতা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পেশা। এর চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর কোনটা আছে বলে আমার জানা নেই। কারণ সাংবাদিকদের কঠিন কঠিন জায়গায় গিয়ে কাজ করতে হয়। আপনারা দেখছেন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের। ইতোমধ্যে অনেক সাংবাদিক মারা গেছেন। ফিলিস্তিনের যুদ্ধেও অনেক সাংবাদিক প্রাণ দিয়েছেন। একইভাবে আমাদের দেশে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ করতে গিয়ে আমার সঠিক সংখ্যা মনে নেই তবে ৫শ’র বেশি সাংবাদিক শহীদ হয়েছেন বিগত সরকারের সময়ে। এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে সাংবাদিকরা নির্যাতিত হয়নি।

বস্তুনিষ্ঠতার আহ্বান

সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যখন আপনারা কোনও একটি বিষয়ের ওপর রিপোর্ট করবেন এবং যার বিপক্ষে রিপোর্ট করবেন তাকে জিজ্ঞেস না করে তার বক্তব্য না নিয়ে রিপোর্ট করবেন না। এটা মাথায় রাখবেন।

মত বিনিময় সভা

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর ১২টায় ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের কালিবাড়ি মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিয়মকালে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে বাংলাদেশে একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর এই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছি। একটা নির্বাচন হয়েছে, নির্বাচনের জনগণ অংশগ্রহণ করেছে। তার আগে একটা রি-ফর্ম কমিশন হয়েছে। সেই রি-ফর্ম কমিশনের গণভোট হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ধ্বংসস্তূপ থেকে শুরু

তিনি বলেন, আপনারা জানেন এই সরকার দায়িত্ব নিয়েছে একটা ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে। ব্যাংকগুলো খালি করে দিয়েছে। ব্যাংকে সবকিছু লুটপাট করে ৮০ লাখ কোটি টাকা লুট করে নিয়ে গেছে এই আওয়ামী লীগ, তাদের মন্ত্রীরা। আমাদের আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়েছে। সুতরাং আপনাদের কাছে আমার একটা প্রত্যাশা করি। আগামী তিন মাসে আমরা উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনগুলোতে যদি সহযোগিতা করে যান তাহলে আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব, সাংবাদিকদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া এখন অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে গেছে। এত শক্তিশালী মাধ্যম যে সমাজকে পাল্টে দিচ্ছে এবং সমস্যাই একটি হিসেবে তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে যে সব জিনিস বের হয়, লেখালেখি হয় তাতে করে একজন রাজনৈতিকবিদের চরিত্র হরণ করতে এক সেকেন্ডও লাগে না। এই বিষয়গুলো আপনাদের মাথায় রাখতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরীফসহ অন্যান্য নেতারা।