রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের সাততলা থেকে নিচে পড়ে মো. সৌরভ (২৭) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইন বিভাগে পড়াশোনা করতেন। পুলিশ জানিয়েছে, হতাশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে সাততলা থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেন।
ঘটনার বিবরণ
ডিএমপির তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈনু মারমা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে সাততলা থেকে সৌরভ একেবারে নিচে পড়ে যান। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের তথ্য
সৌরভের বাড়ি বগুড়া সদর উপজেলায়। তার বাবার নাম রুস্তম আলী। ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন। পরে ছেলের মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ি যান রুস্তম আলী।
সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেছে
ওসি আরও বলেন, ঘটনার পর শপিং কমপ্লেক্সের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে সৌরভ একাই সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি মার্কেটের বিভিন্ন ফ্লোর ঘুরে সাততলায় যান এবং সেখান থেকে লাফিয়ে নিচে পড়েন। পরে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মীরা সৌরভকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মুঠোফোন ভেঙে যায়
পড়ে যাওয়ার পর সৌরভের ব্যবহৃত মুঠোফোনটি ভেঙে যায়। পরে তার সিমটি অন্য একটি মুঠোফোনে ভরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
হতাশার কারণ অজানা
সৌরভের বাবা জানিয়েছেন, তার ছেলে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। সেই থেকে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে কেন সৌরভের মধ্যে হতাশা ছিল সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে পারেননি। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সৌরভ আত্মহত্যাই করেছেন বলে মনে হয়।
সময় ও স্থান
বুধবার (২৭ মে) বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে মাঝখানের অংশে সাততলা থেকে পড়ে গিয়ে মারা যান সৌরভ। পরে তাকে কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।



