শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের মামলায় চিকিৎসক গ্রেফতার
শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের মামলায় চিকিৎসক গ্রেফতার

শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাফসান জানিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) রাতে যশোর উপশহর এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের বিবরণ

রবিবার (২৪ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ। তিনি বলেন, ‘ডা. রাফসান জানিকে আদালতে পাঠালে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’ মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে পড়াশোনা করানো এবং নিজের সন্তানদের দেখাশোনার কথা বলে ডা. রাফসান জানি তার শ্যালিকাকে যশোরে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে শ্যালিকাকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের সেই দৃশ্য গোপনে ভিডিও ধারণ করে পরবর্তীতে তা দিয়ে ভুক্তভোগীকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন।

ভুক্তভোগীর বর্ণনা

পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মণিরামপুর উপজেলা সদরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ভুক্তভোগীকে সেখানে রাখেন চিকিৎসক। সেখানেও দীর্ঘ সময় ধরে নানা ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন বলে ভুক্তভোগী এজাহারে উল্লেখ করেন। নিরুপায় হয়ে অবশেষে ভুক্তভোগী মণিরামপুর থানায় মামলা করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তৎপরতা

ওসি আবু সাঈদ জানান, ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে তার শ্যালিকা মণিরামপুর থানায় ধর্ষণ মামলা করার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি বাড়ায়। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মণিরামপুর থানা পুলিশ শনিবার রাতে উপশহরের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। রবিবার বিকালে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে কারাগারে পাঠানো হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ