পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: সোহেল-স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জশিট

ঢাকার পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করতে যাচ্ছে পুলিশ।

চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি

রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লবী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আহিদুজ্জামান জানান, আদালতে চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, “কিছু প্রক্রিয়াগত কাজ বাকি আছে। আমরা আজই দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের প্রক্রিয়ায় আছি।”

ঘটনার বিবরণ

মঙ্গলবার বিকেলে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, একই ভবনের পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সী সোহেল রানা সকালে শিশুটিকে হত্যা করে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে তাদের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে এবং একই সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে আটক করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও তদন্ত

ভুক্তভোগীর বাবা একই দিন পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন, যেখানে দুইজনকে আসামি করা হয়। মামলার বিবরণে বলা হয়, শিশুটি পল্লবীর সেকশন ১১-এ পরিবারের সাথে থাকত। সোহেল ও স্বপ্না একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটে ভাড়াটিয়া ছিলেন।

ঘটনার দিন শিশুটি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বের হয়। পুলিশ জানায়, তাকে অভিযুক্তদের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়। যখন সে স্কুলে না যায়, তখন তার মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তদের ঘরের বাইরে তার জুতা দেখতে পান।

কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে মরদেহ দেখতে পান। জিজ্ঞাসাবাদে স্বপ্না আক্তার পুলিশকে জানান, সোহেল শিশুটিকে বাথরুমে আটকে রেখে হত্যা করে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সোহেল পরে অপরাধ ঢাকতে চেষ্টা করে এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনি প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তা

কর্তৃপক্ষ জানায়, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে এবং মামলার কার্যক্রমের চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এদিকে, ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে মামলার আসামিদের কোনো সদস্য আইনি সহায়তা দেবে না। সরকার রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দিয়েছে।