ডুয়েটে সংঘর্ষ: দোষীদের শাস্তির দাবি ছাত্রদলের
ডুয়েটে সংঘর্ষ: দোষীদের শাস্তির দাবি ছাত্রদলের

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

ছাত্রদলের বিবৃতি

রোববার (১৭ মে) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ডুয়েটে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি এর আগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সংঘর্ষের ঘটনা

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তার নিয়োগের পরপরই সাধারণ শিক্ষার্থী লেবাসধারী ডুয়েটের ছাত্রশিবির সংশ্লিষ্ট কিছু নেতাকর্মী এই নিয়োগ বাতিল করে ডুয়েট থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে। অথচ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বাইরে থেকে উপাচার্য নিয়োগ একটি বহুল চর্চিত বিষয়। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে খুবই পরিকল্পিতভাবে ডুয়েট ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগ ও দাবি

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ডুয়েটের পূর্ববর্তী প্রশাসনের বিরুদ্ধে অস্বচ্ছতা, দলবাজি, অনৈতিকতা, স্বেচ্ছাচারি নিয়োগসহ নানা অভিযোগ আছে। এখন এই বিদায়ী প্রশাসন ও গুপ্ত সংগঠন ছাত্রশিবির মিলে একত্রে তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যেই চার দিন ধরে জোরপূর্বক আন্দোলনের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির করে রাখা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাধারণ শিক্ষার্থী নামে গুপ্ত সংগঠনের কর্মীরা ডুয়েট ক্যাম্পাসে সাংঘর্ষিক একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির গুপ্ত সংগঠনের এ ধরণের অপতৎপরতার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তারা ডুয়েট ক্যাম্পাসে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন।