শরীয়তপুর সদর উপজেলায় স্বামীকে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী আসমা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার সদরের চন্দ্রপুরে মালয়েশিয়াপ্রবাসী জিয়া উদ্দিন সরদারকে (৪৫) হত্যার পর তাঁর স্ত্রী আসমা মরদেহ টুকরা করে পদ্মা নদী ও ডোবায় ফেলেন। হত্যাকাণ্ডের পর কিছু অংশ ফ্রিজে রাখলে দুর্গন্ধ ছড়ায়। পরে ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ শুক্রবার রাতে আসমাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করলে ডোবা থেকে মাথাসহ হাড়, ছুরি ও রড উদ্ধার হয়। পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহই হত্যার কারণ।
ঘটনার বিবরণ
শরীয়তপুর সদর থানার ওসি মো. আব্দুর রহিম জানান, জিয়া উদ্দিন সরদার মালয়েশিয়ায় কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি দেশে ফিরে আসার পর স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল। হত্যার পর আসমা মরদেহ টুকরো করে কিছু অংশ ফ্রিজে ও বাকি অংশ নদী ও ডোবায় ফেলে দেয়। ফ্রিজে থাকা মাংস পচে দুর্গন্ধ ছড়ালে প্রতিবেশীরা ৯৯৯-এ ফোন করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তিনি হত্যা স্বীকার করলে ডোবা থেকে হাড় ও অস্ত্র উদ্ধার করে।
আইনি ব্যবস্থা
পুলিশ আসমাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। মামলা চলছে। তদন্তে আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



