সীতাকুণ্ডে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, মোবাইল-টাকা লুট
সীতাকুণ্ডে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণচেষ্টা, মোবাইল-টাকা লুট

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

ঘটনার বিবরণ

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত ১টার দিকে উপজেলার ৫ নম্বর বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জেলেপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম পূজা দাশ (১৯)। তার স্বামী সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ায় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাশের জুদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা জরিপ আলীর ছেলে রবিউল হোসেন (২৯) ঘরে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘরে থাকা জমানো নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভুক্তভোগীর পরিবারের বক্তব্য

ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, ঘটনার রাতে তিনি এলাকার অন্য জেলেদের সঙ্গে সাগরে মাছ ধরতে যান। সকালে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান। কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে স্ত্রী তার কাছে অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি গভীর রাতে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

স্থানীয়দের দাবি

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, একই রাতে অভিযুক্ত রবিউল আরও দুটি পরিবারের ঘরে ঢুকে নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। তাদের অভিযোগ, রবিউল ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। অতীতেও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশি ব্যবস্থা

ঘটনার পর ভুক্তভোগী, তার স্বামী এবং পরিবারের সদস্যরা সীতাকুণ্ড মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ঘটনার পর থেকে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সীতাকুণ্ড মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অভিযুক্তকে গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করা হবে।”