মোবাইল গ্রাহকদের স্বস্তি দিতে আসন্ন বাজেটে শুল্কহার কমানোর উদ্যোগ
প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ সোমবার (১৩ এপ্রিল) ব্রডব্যান্ড এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, আসন্ন বাজেটে মোবাইল গ্রাহকদের স্বস্তি দিতে শুল্কহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ১০০ টাকা রিচার্জে গ্রাহকরা ৬২ টাকার সেবা পান, বাকি ৩৮ টাকা শুল্ক বাবদ সরকার নিচ্ছে, যা গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
শুল্ক কমানোর প্রক্রিয়া ও সরকারের প্রতিশ্রুতি
রেহান আসিফ আসাদ উল্লেখ করেন, এ জায়গায় শুল্ক কমিয়ে মোবাইল গ্রাহকদের স্বস্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে মোবাইল সেবায় সম্পূরক শুল্ক ২৩ শতাংশ, কার্যকরী ভ্যাট ১৮ শতাংশ এবং সারচার্জ এক শতাংশ দিতে হয়। সব মিলিয়ে ১০০ টাকার রিচার্জে করবাবদ ৩৮ টাকা সরাসরি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দেন গ্রাহকরা, যেখানে সেবা পান মাত্র ৬২ টাকার।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী ইন্টারনেটের দাম আরও কমানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাড়ে ১৮ কোটির বেশি মোবাইল সংযোগধারীকে ভয়েস কল এবং ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে চার অপারেটর, এবং তাদের সেবার মান উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
টেলিকম খাতের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, টেলিকম খাতের উন্নয়ন বিশেষ করে সেবার মান বাড়াতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে। তিনি বলেন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতাদের দাবি মেনে শিগ্গিরই একটিভ শেয়ারিংয়ের সুযোগ দেওয়া হবে, যা খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সরকারের নীতিনির্ধারকেরা জানান, মোবাইল গ্রাহকদের স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি টেলিকম খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, শুল্ক কমানো গ্রাহকদের আর্থিক চাপ কমাবে এবং সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।
এদিকে, বিটিআরসির হিসাবে, সাড়ে ১৮ কোটির বেশি মোবাইল সংযোগধারীকে ভয়েস কল এবং ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে চার অপারেটর, এবং শুল্ক কমানো হলে গ্রাহকরা আরও সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা পাবেন।



