ডিএমপির তথ্যপ্রযুক্তি অভিযানে হারানো ৫১ মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন মালিকরা
ডিএমপির অভিযানে হারানো ৫১ মোবাইল ফোন ফিরে পেলেন মালিকরা

হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়ার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ডিএমপি

ঢাকা শহরে হারানো মোবাইল ফোন আবারও ফিরে পাওয়ার বাস্তবতা দেখাল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সফল অভিযান চালিয়ে হারিয়ে যাওয়া ৫১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিয়েছে পল্টন মডেল থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে হারানো ফোন ফিরে পাওয়ার অনিশ্চয়তার মধ্যেও এই উদ্যোগে হাসি ফিরেছে অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগীর মুখে, যা নাগরিকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত বিস্তারিত তথ্য

বুধবার (২২ এপ্রিল) ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগীরা পল্টন মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এসব জিডির ভিত্তিতে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযান চালায়, যা এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করেছে।

অভিযানের সময়সীমা ও উদ্ধারকৃত ফোন

গত ১ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সুনির্দিষ্ট অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ৫১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই অভিযানটি ডিএমপির সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়, যা হারানো জিনিসপত্র ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মালিকদের কাছে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর

উদ্ধার হওয়া এসব মোবাইল ফোন গত মঙ্গলবার পল্টন মডেল থানার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রকৃত মালিকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মকর্তা, ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যারা ডিএমপির এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই উদ্যোগটি নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ডিএমপির কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতেও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে হারানো সম্পদ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, যা জনগণের আস্থা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।