ভৈরবে আম পাড়া কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৩০
ভৈরবে আম পাড়া কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৩০

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের বধূনগর এলাকায় নবাব বাড়ি ও একই এলাকার ফর্সা বাড়ির লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতদের তালিকা

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ২৩ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতরা হলেন— মিজান (৩৬), শরীফ মিয়া (১৯), চান মিয়া (৪০), মামুন (৩৯), জেসমিন (৩০), জুনায়েদ (২০), বিজয় (১৮), ইয়াছিন (১৭), রবিন (২৫), ইয়ামিন (১৬), তরুণ মিয়া (১৯), শাওন (১৪), ফরহাদ (১৬), বুরহান (১৭), আনোয়ারা (৫০), সাইদুল (৪০), মিজান (৩২), আবির (১৭), শামীম (২১), শিরিনা (২৬), জিহাদ (১৬), আক্তার (২০), ফুল মিয়া (৫২) ও জুয়েল মিয়া (৪০)।

চিকিৎসা ও হাসপাতালে প্রেরণ

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আব্দুল করিম জানান, আহতদের মধ্যে মিজান, শরীফ মিয়া ও চান মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অন্যরা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার পটভূমি

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নবাব বাড়ি ও ফর্সা বাড়ির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রোববার (৩ মে) বিকালে ফর্সা বাড়ির আয়তুল মিয়ার আমগাছে ঢিল ছোড়ে নবাব বাড়ির বিজয় মিয়া ও শাওন মিয়াসহ কয়েকজন। এতে গাছের মালিকের ছেলে মোখলেস মিয়া বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।

পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করলেও দুই দিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করে। মঙ্গলবার সকালে উভয়পক্ষ দা, বল্লম, টেঁটা, ইট-পাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

উভয়পক্ষের অভিযোগ

নবাব বাড়ির তোফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ফর্সা বাড়ির লোকজন অতর্কিত হামলা চালালে আত্মরক্ষার্থে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। অন্যদিকে ফর্সা বাড়ির ফুল মিয়া দাবি করেন, আমগাছে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং নবাব বাড়ির লোকজনই প্রথমে তাদের ওপর চড়াও হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের পদক্ষেপ

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।