৯ মাস পর পোশাককর্মী রিতার মৃত্যু হত্যা বলে নিশ্চিত
৯ মাস পর পোশাককর্মী রিতার মৃত্যু হত্যা নিশ্চিত

টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে নয় মাস আগে এক পোশাককর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছিল। বুধবার (২৯ এপ্রিল) ময়নাতদন্ত রিপোর্টে হত্যার আলামত আসায় ওই মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে। টঙ্গী পূর্ব থানা সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

নিহতের পরিচয়

নিহত গৃহবধূ মাহমুদা আক্তার রিতা (২৫) খুলনা জেলার তেরখাদা থানার জোনারী গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে। তিনি স্থানীয় একই গ্রামের শিমুল খানের সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে চার বছরের একটি সন্তান রেখে তিনি শিমুলকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা টঙ্গীর গাজীপুরা সুমন মার্কেট এলাকায় ভাড়াবাসায় থাকতেন। রিতা টঙ্গীর হোপলোন অ্যাপারেলস লিমিটেডে পোশাককর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ

২০২৫ সালের ২২ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ওই ভাড়া বাসার রান্নাঘরের জানালার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলানো অবস্থায় রিতার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের মা সাবিনা ইয়াসমিন বাদী হয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত চলাকালে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসে। রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, রিতাকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং পরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার চেহারা দেওয়া হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার বর্তমান অবস্থা

ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে। তবে এই মামলায় এখনো কোনো আসামির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অজ্ঞাতনামা আসামি করে তদন্ত এগিয়ে চলছে। টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্টের আলোকে মামলাটি হত্যায় রূপান্তর করা হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে রিতার মৃত্যুর পর স্থানীয়ভাবে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। অবশেষে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সেই আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণ করল।