বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সরকার জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে দেবে। তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম সম্প্রতি কমানো হয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের দাম কমার কারণে। শুক্রবার বিকেলে যশোর সার্কিট হাউসে যশোর জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এলপিজি আমদানি ও মূল্য নির্ধারণ
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ৯৮ শতাংশ এলপিজি আমদানি করা হয় এবং এই খাতটি সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যায়, যা আমাদের মা-বোনদের সংসার চালানো কঠিন করে তোলে। যখনই বৈশ্বিক পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়, আমরা সে অনুযায়ী দাম সমন্বয় করি। আশা করি, রাতারাতি একটি উল্লেখযোগ্য মূল্য সমন্বয় হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জনগণের সংসার চালাতে স্বস্তি এনে দেবে। যখনই সুযোগ হবে, জ্বালানি তেলের দাম পর্যায়ক্রমে কমানো হবে আরও স্বস্তি দিতে।’
বিদ্যুৎ বিল ও লোডশেডিং প্রসঙ্গে
উচ্চ বিদ্যুৎ বিল ও লোডশেডিং নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ গ্রীষ্মকালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। আমরা প্রতিটি বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ কেন্দ্র স্থাপন করেছি এবং কর্মকর্তাদের সেসব কেন্দ্রের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছি। বিএনপি জনগণের সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে আরও আন্তরিক হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসিক হাসান, যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু এবং বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।



