বিদ্যুৎ মূল্য সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন, অর্থমন্ত্রী আহ্বায়ক
দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির মূল দায়িত্ব হবে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার সমন্বয় সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রণয়ন করা।
কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া ও সদস্যবৃন্দ
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এই কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পরবর্তীতে সোমবার (১৩ এপ্রিল) তারিখে এই প্রজ্ঞাপনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।
৬ সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী
- বাণিজ্যমন্ত্রী
- অর্থ বিভাগের সচিব
- বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব
- জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব
কমিটির উদ্দেশ্য ও কার্যপরিধি
প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান সংকট সমাধানের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান লক্ষ্য বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার সমন্বয়ের বিষয়ে প্রস্তাব প্রণয়ন করা।
কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী, নবগঠিত এই কমিটি চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান সংকট সমাধানে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার সমন্বয়ের বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে। এরপর মন্ত্রিসভা বৈঠকের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রণয়ন করবে এই কমিটি।
কমিটির কার্যক্রম ও সহায়তা
এই কমিটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিটির সভা প্রয়োজন অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে এবং বিদ্যুৎ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
এছাড়াও কমিটিকে প্রয়োজনে অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই নমনীয়তা কমিটিকে তার কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই উচ্চপর্যায়ের কমিটির গঠন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কমিটির প্রস্তাবনা ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ মূল্য নির্ধারণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।



