চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে তিনটি তেলবাহী জাহাজ, ১ লাখ ১ হাজার টন জ্বালানি আমদানি
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরের আউটার অ্যাঙ্করেজে পৌঁছেছে তিনটি তেলবাহী জাহাজ। এই জাহাজগুলোতে মোট ১ লাখ ১ হাজার টন ডিজেল ও অকটেন রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) একজন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জাহাজগুলো ধীরে ধীরে জেটিতে নোঙর করবে
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক (মাস কমিউনিকেশন, অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফারজিন হাসান মুমিতা বিএসএসকে জানিয়েছেন, "জাহাজগুলো বাংলাদেশের জলপথে রয়েছে এবং ধাপে ধীরে জেটিতে নোঙর করবে। শীঘ্রই জ্বালানি খালাস করা হবে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই জাহাজগুলো থেকে জ্বালানি খালাসের মাধ্যমে দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
জাহাজগুলোর বিস্তারিত তথ্য
বিপিসির জেনারেল ম্যানেজার (বাণিজ্য ও অপারেশন) মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন বিএসএসকে জানিয়েছেন, তেলবাহী জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- এমটি লিয়ান সং হু: প্রায় ৪১,০০০ টন ডিজেল বহন করছে, যা ভারত থেকে এসেছে।
- এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো: প্রায় ৩৩,০০০ টন ডিজেল বহন করছে, এটি ভারত থেকে এসেছে।
- এমটি নেভ সিয়েলো: প্রায় ২৭,০০০ টন অকটেন বহন করছে, যা তাইওয়ান থেকে এসেছে।
স্থানীয় কোম্পানিগুলো থেকে অকটেন সংগ্রহ
গত ১৯ দিনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন তিনটি স্থানীয় বেসরকারি কোম্পানি থেকে ১৫,১৭০ টন অকটেন সংগ্রহ করেছে। মুমিতা জানিয়েছেন, এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুপার পেট্রো পিএলসি সর্বোচ্চ ১১,৬১৫ টন অকটেন সরবরাহ করেছে।
অন্যান্য জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু
এদিকে, সোমবার ডলফিন জেটিতে আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে। জাহাজ দুটি হলো:
- এমটি ওকট্রি: প্রায় ৩৫,০০০ টন ডিজেল বহন করছে।
- এমটি কেপ বনি: প্রায় ৩৩,০০০ টন ডিজেল বহন করছে।
এই জ্বালানি আমদানি ও খালাস কার্যক্রম দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।



