বাংলা নববর্ষে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে সাত দিনব্যাপী এসএমই বৈশাখী মেলা
রাজধানীতে শুরু হচ্ছে এসএমই বৈশাখী মেলা

বাংলা নববর্ষে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে সাত দিনব্যাপী এসএমই বৈশাখী মেলা

বাংলা নববর্ষের উৎসবকে ঘিরে রাজধানী ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে সাত দিনব্যাপী এসএমই বৈশাখী মেলা। আগামীকাল রোববার, ১২ এপ্রিল থেকে এই মেলা শুরু হয়ে চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। মেলার আয়োজন করা হয়েছে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আগামীকাল বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।

মেলার বিস্তারিত সময়সূচি ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান

মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দেড় শতাধিক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য নিয়ে এই মেলায় অংশগ্রহণ করবে। মেলায় মোট ৩০০টির বেশি স্টল স্থাপন করা হবে, যেখানে দেশি পোশাক, হস্তশিল্প এবং বৈচিত্র্যময় পণ্য প্রদর্শিত হবে।

মেলার আয়োজন ও আকর্ষণীয় দিকসমূহ

এসএমই বৈশাখী মেলা যৌথভাবে আয়োজন করেছে শিল্প মন্ত্রণালয় এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) ফাউন্ডেশন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই মেলা একাধারে উৎসব, সংস্কৃতি ও ব্যবসার এক মিলনমেলা হিসেবে কাজ করবে। মেলার প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে থাকবে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • বৈশাখী শোভাযাত্রা ও দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রদর্শনী
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দেশের বিখ্যাত বাংলা খাবারের স্টল
  • গ্রামীণ মেলার ঐতিহ্য তুলে ধরার জন্য নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, টিয়া পাখি খেলা ও বানর খেলা
  • বেলুন শুটিং, রণপা, পালকি, ফায়ার শো, ঢাকঢোল ও বাউলগানের মতো বিনোদনমূলক আয়োজন
  • শিশুদের জন্য বিশেষ কিডস জোন, পাপেট শো ও ফেস পেইন্টিং
  • প্রতিদিন লাইভ গান, নাচ ও লোকজ পরিবেশনা

এছাড়াও, মেলা প্রাঙ্গণে ৩০টির বেশি খাবারের স্টল থাকবে, যেখানে দেশি পিঠাপুলিসহ নানা ধরনের খাবার পাওয়া যাবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মেলার উদ্দেশ্য ও সুযোগ-সুবিধা

আয়োজকদের মতে, পয়লা বৈশাখকে কেন্দ্র করে এই মেলা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্র্যান্ড ও পণ্য প্রসারের বিশেষ সুযোগ করে দেবে। একইসাথে, গ্রাহকরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন। মেলায় প্রবেশের জন্য দুই ধরনের টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে: সাধারণ টিকিটের মূল্য ৩০ টাকা এবং দ্রুত প্রবেশের জন্য এক্সপ্রেস পাস ফি ২০০ টাকা।

এসএমই ফাউন্ডেশন উল্লেখ করেছে যে, এই আয়োজন শুধুমাত্র একটি মেলা নয়, বরং এটি বাংলা সংস্কৃতি ও ব্যবসায়িক উদ্যোগের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করবে। মেলা চলাকালীন প্রতিদিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।