ব্র্যাক ব্যাংক পেলো সরকারি সিকিউরিটিজের প্রাইমারি ডিলার স্বীকৃতি
ব্র্যাক ব্যাংক পেলো সরকারি সিকিউরিটিজের প্রাইমারি ডিলার স্বীকৃতি

বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংককে সরকারি সিকিউরিটিজের (জি-সেক) প্রাইমারি ডিলার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যৌথভাবে প্রবর্তিত নতুন অ্যাপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে দেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক এই মর্যাদা অর্জন করে।

সেকেন্ডারি মার্কেটে শীর্ষস্থান

গভর্নমেন্ট সিকিউরিটিজের সেকেন্ডারি মার্কেটেও ব্র্যাক ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে আসছে। সেকেন্ডারি মার্কেট ট্রেডিংয়ে টানা চতুর্থ বছরের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ব্যাংকটি। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বৃহৎ পোর্টফোলিও ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার

এছাড়াও, ব্র্যাক ব্যাংকের গভর্নমেন্ট সিকিউরিটিজ পোর্টফোলিও দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম বৃহৎ। একইসঙ্গে বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় গ্রাহক বেজ পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিপর্যায়— উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্য একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রযুক্তি ও বিনিয়োগে নেতৃত্ব

ব্যাংকটির এই ধারাবাহিক নেতৃত্বস্থানীয় অবস্থানের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী প্রযুক্তি অবকাঠামো, সুস্পষ্ট মার্কেট নলেজ এবং ডিজিটাল ট্রেজারি সক্ষমতায় অব্যাহত বিনিয়োগ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘প্রাইমারি ডিলার হিসেবে আমাদের এই নিয়োগ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের অগ্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি আমাদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, সুচিন্তিত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত এবং একটি টেকসই ফাইন্যান্সিয়াল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। আমরা প্রাইমারি অকশনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে, বাজারে তারল্য বাড়াতে এবং গভর্নমেন্ট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করতে কাজ করব।’

প্রাইমারি ডিলার হিসেবে ভূমিকা

প্রাইমারি ডিলার হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক এখন গভর্নমেন্ট সিকিউরিটিজের প্রাইমারি অকশনে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারবে, যা পুঁজিবাজারে তারল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি কার্যকর মূল্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। ফলে, বাংলাদেশের আর্থিক খাতের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।