চট্টগ্রামের এবি ব্যাংক লিমিটেড-এর জুবিলী রোড শাখা থেকে প্রায় ৪৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন ওরফে কুসুমকে ১১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৩ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত গিয়াস উদ্দিন (৫৩) সীতাকুণ্ড উপজেলার উত্তর ছলিমপুর এলাকার বাসিন্দা।
খালাস পেলেন অন্য আসামি
মামলার আরেক আসামি মোহাম্মদ নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন জানান, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর, ৪২০ ধারায় এক বছর এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ ধারায় আরও পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন। সাজাগুলো মিলিয়ে মোট ১১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
রায়ের সময় গিয়াস উদ্দিন পলাতক ছিলেন। তাই তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মামলার নথি অনুযায়ী, বৈদেশিক ও স্থানীয় এলসির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলনের পর সংশ্লিষ্ট পণ্য ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে না রেখে বিক্রি বা সরিয়ে ফেলা হয়। একই সঙ্গে ঋণের অর্থও পরিশোধ করা হয়নি।
মামলার পটভূমি
এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ১৩ মার্চ এবি ব্যাংক লিমিটেড-এর এক কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।



