ব্যাংক মালিকদের উদ্বেগ: লুটপাটকারীরা ফিরে এলে সংকট আরও গভীর হবে
ব্যাংক মালিকদের উদ্বেগ: লুটপাটকারীরা ফিরে এলে সংকট

ব্যাংক রেজ্যুলেশন (সংশোধিত) আইনের একটি বিশেষ ধারায় সাবেক মালিকদের পুনরায় ব্যাংকের মালিকানায় ফিরে আসার সুযোগ রাখা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্যাংক মালিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস’ (বিএবি)। সংগঠনের নেতারা আশঙ্কা করছেন, যারা অতীতে ব্যাংক থেকে টাকা লুটপাট করে নিয়ে গেছে, তারা ফিরে এলে এই খাতে নতুন করে বিশৃঙ্খলা ও আস্থার সংকট তৈরি হবে।

বৈঠকে উদ্বেগের প্রকাশ

সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএবি সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার সাংবাদিকদের এসব আশঙ্কার কথা জানান। তিনি বলেন, “সংশোধিত আইনের ধারায় যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে গেছে, তাদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে—এই বিষয়টি নিয়ে আমরা ভয়ে আছি। যারা অতীতে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারা আবার ফিরে এলে ব্যাংক খাতে নতুন করে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।”

জনগণের আস্থা নিয়ে শঙ্কা

আব্দুল হাই সরকার আরও যোগ করেন যে, কারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে গেছে তা দেশের সাধারণ মানুষও জানে। এমন অবস্থায় তাদের ফেরার সুযোগ দিলে ব্যাংক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকবে এবং নতুন করে সংকট সৃষ্টি হবে। এ বিষয়ে সরকারকে আরও গভীরভাবে ভাবার আহ্বান জানান তিনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গভর্নরের আশ্বাস

বৈঠকে গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বিএবি নেতাদের আশ্বস্ত করে জানান, সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারার শর্তগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণ না করে কোনো সাবেক মালিকের ফেরার সুযোগ থাকবে না। এছাড়া পাঁচটি ব্যাংকের চলমান একীভূতকরণ প্রক্রিয়াও আগের মতোই অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন

তবে আব্দুল হাই সরকার নীতিমালার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আইন বা নীতিমালা প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে তা আরও গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর হতো বলে তিনি মনে করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ