এনসিসি ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঘোষণা
এনসিসি ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে ব্যবসায়িক লক্ষ্য

এনসিসি ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলনে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঘোষণা

এনসিসি ব্যাংক সেবার পরিধি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনের জন্য দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৬ আয়োজন করেছে। কক্সবাজারের সি পার্ল বিচ রিসোর্টে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নূরুন নেওয়াজ সেলিম প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম শামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চাকলাদার, নিরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান মো. আমিরুল ইসলাম, পরিচালক আমজাদুল ফেরদৌস চৌধুরী, তানজিনা আলী, সৈয়দ আসিফ নিজাম উদ্দিন, মো. মঈনউদ্দিন, মোহাম্মদ সাজ্জাদ উন নেওয়াজ, শামিমা নেওয়াজ, মোরশেদুল আলম চাকলাদার ও নাহিদ বানু এবং স্বতন্ত্র পরিচালক মীর সাজেদ উল বাসার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) এম খোরশেদ আলম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. জাকির আনাম, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. হাবিবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা সম্মেলনে অংশ নেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চেয়ারম্যানের বক্তব্য

চেয়ারম্যান মো. নূরুন নেওয়াজ সেলিম বলেন, গত বছর ব্যাংকিং খাতে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ব্যাংকের নির্ধারিত ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে, যা প্রশংসার দাবিদার। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ব্যাংকের ব্যবসার পরিধি ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করতে হবে। পাশাপাশি তিনি নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা চিহ্নিত করে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মন্তব্য

ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শামসুল আরেফিন বলেন, দেশি ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ধীরগতির মধ্যেও এনসিসি ব্যাংক গত বছরে ব্যবসা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি জানান, ঋণ ও বিনিয়োগ, আমানত, রপ্তানি-আমদানি বাণিজ্য এবং খেলাপিঋণ আদায়সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাংক ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে তহবিল সংগ্রহ ব্যয় হ্রাস ও সম্পদের গুণগতমান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই সম্মেলনটি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যা ব্যাংকিং খাতে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।