ঈদের রাতে বগুড়ায় মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই বন্ধুর মৃত্যু
ঈদের রাতে বগুড়ায় মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই বন্ধু নিহত

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়েছিল ছয় বন্ধু। হাসি-আড্ডায় ভরা সেই যাত্রা মুহূর্তেই পরিণত হয় মর্মান্তিক ট্র্যাজেডিতে। বগুড়ার শেরপুরে বেপরোয়া গতির তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ হারান দুই বন্ধু। আহত হয়েছেন আরও চারজন। ঈদের রাতে এ দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দুই পরিবারসহ পুরো এলাকায়।

দুর্ঘটনার বিবরণ

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত পৌনে ৯টায় উপজেলার শুভগাছা শাফলজানি এলাকার শেরপুর-ধুনট সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—শেরপুর পৌরসভার উলিপুর এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে ও বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র আবু রায়হান (২০) এবং শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকার প্রবাসী নান্নু মিয়ার ছেলে ও শেরউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তামিম হোসেন (২১)।

আহতদের অবস্থা

আহতরা হলেন—রাজন, সিয়াম, হাসান ও ছামির। তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

শেরপুর থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দীন জানান, ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে ছয় বন্ধু দুটি মোটরসাইকেলে করে ধুনটের দিকে যাচ্ছিলেন। তারা বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। পথে শুভগাছা এলাকার শাফলজানি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পেছন থেকে আসা আরও একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা দেয়। এতে তিনটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই আবু রায়হানের মৃত্যু হয়।

চিকিৎসার শেষ পরিণতি

গুরুতর আহত তামিম হোসেনসহ অন্যদের উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তামিম হোসেন মারা যান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া

ওসি আরও জানান, বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে থানায় মামলা করা হয়।