বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় নরওয়ের মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল। এই ম্যাচেই ৪০ বছরের পুরোনো এক রেকর্ড ভেঙে গেছে সেলেসাওদের। ম্যাচের ১৪ মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেস। এই মিস শুধু এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হওয়া নয়, বরং চার দশক ধরে চলা ব্রাজিলের এক অসাধারণ রেকর্ডের সমাপ্তি ঘটিয়েছে।
৪০ বছরের রেকর্ডের অবসান
পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৮৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপে নির্ধারিত সময় বা অতিরিক্ত সময়ে আর কোনো পেনাল্টি মিস করেনি ব্রাজিল। শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল মেক্সিকো বিশ্বকাপে। সেবার নজিরটা হয়েছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। মিসটা করেছিলেন কিংবদন্তি জিকো। ফ্রান্সের গোলরক্ষক জোয়েল বাতসকে পরাস্ত করতে পারেননি তিনি।
সেই ঘটনার পর থেকে বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে বড় মঞ্চে নির্ধারিত সময়ে নেওয়া প্রতিটি পেনাল্টিই গোলে পরিণত করেছিল দক্ষিণ আমেরিকার এই দলটি। সে রেকর্ডটা ভেঙে গেল আজ।
ম্যাচের প্রেক্ষাপট
২০২৬ সালের ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ব্রাজিল ও নরওয়ে শেষ পর্যন্ত ০-০ গোলে ড্র করে। তবে পেনাল্টি মিসের ঘটনা ইতিহাসে থেকে যাবে। ব্রুনো গিমারেসের মিসটি ব্রাজিলের জন্য ছিল হতাশাজনক, কারণ এটি দলের ৪০ বছরের অনবদ্য পেনাল্টি রেকর্ড ভেঙে দেয়।
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ব্রাজিল ও নরওয়ে উভয় দলই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচিত। এই ম্যাচটি ছিল শেষ ষোলোর লড়াই, যেখানে জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ পেত।
প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষণ
ব্রাজিলের কোচ এবং খেলোয়াড়রা ম্যাচের পর রেকর্ড ভাঙা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি। তবে ফুটবল বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মিসটি ব্রাজিলের জন্য একটি সতর্কবার্তা। পেনাল্টি মিসের কারণে দলের আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরতে পারে। অন্যদিকে নরওয়ে দল নিজেদের ভাগ্যকে কাজে লাগাতে পারেনি।
এখন ব্রাজিলকে পরবর্তী ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। নরওয়ের বিপক্ষে ড্র করার পর ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে ফুটবল বিশ্বকাপে এখনও অনেক পথ বাকি।



