প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন। তিনি দেশের ক্রীড়া খাতকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মতভেদ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
প্রধানমন্ত্রী সিলেটের রিকাবি বাজার এলাকায় অবস্থিত সিলেট স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির সূচনা করেন। এর মাধ্যমে সারা দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিভা চিহ্নিত করার লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্যোগটি যাত্রা শুরু করল।
ডকুমেন্টারি ও থিম সং
অনুষ্ঠানে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির ওপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়, যাতে তরুণ ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়। পরে ‘আমরা নতুন, আমরা কুঁড়ি’ শিরোনামের সরকারি থিম সং পরিবেশিত হয়, যা কর্মসূচিতে উৎসবমুখর পরিবেশ যোগ করে।
ক্রীড়া প্রদর্শনী
এরপর বিএসপির শিক্ষার্থীরা খোলা মাঠে আটটি ক্রীড়া ইভেন্টের প্রদর্শনী করে, যার মধ্যে ছিল ক্রিকেট, কাবাডি, ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার এবং মার্শাল আর্ট। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উৎসাহের সাথে ক্রীড়া প্রদর্শনী দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের করতালি দিয়ে উৎসাহিত করেন।
কর্মসূচির লক্ষ্য
এই কর্মসূচির লক্ষ্য তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিশ্রুতিশীল ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে তাদের দক্ষ ক্রীড়াবিদে পরিণত করা। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ক্রীড়া অধিদপ্তর এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
পটভূমি
কর্মসূচিটি ১৯৮০-এর দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ ‘নতুন কুঁড়ি’র ঐতিহ্য অনুসরণ করে, তবে এবার ক্রীড়ায় প্রতিভা আবিষ্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রীর বক্তব্য
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, এই উদ্যোগ দেশের ক্রীড়া খাতকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ভবিষ্যতের দক্ষ ক্রীড়াবিদ তৈরির জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় পর্যায়ে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতিভাবান শিশুদের চিহ্নিত করা, নির্বাচন করা এবং সমর্থন করা।
প্রতিযোগিতার শাখা
ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার এবং মার্শাল আর্ট—এই আটটি শাখায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।



