ইরানি নারী ফুটবলারদের কৃতজ্ঞতা: অস্ট্রেলিয়ায় নিরাপদ আশ্রয় পেয়ে আশার আলো দেখছেন
ইরানি নারী ফুটবলারদের কৃতজ্ঞতা: অস্ট্রেলিয়ায় নিরাপদ আশ্রয়

ইরানি নারী ফুটবলারদের কৃতজ্ঞতা: অস্ট্রেলিয়ায় নিরাপদ আশ্রয় পেয়ে আশার আলো দেখছেন

অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছ থেকে মানবিক ভিসা ও নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ায় গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দুই ইরানি নারী ফুটবলার ফাতেমেহ পাসানদিদেহ এবং আতেফেহ রামেজানিসাদেহ। গতকাল প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা তাদের অনুভূতি ও ভবিষ্যতের আশার কথা ব্যক্ত করেছেন।

মানবিক সহমর্মিতার প্রশংসা

বিবৃতিতে ফুটবলাররা বলেন, 'আমরা অস্ট্রেলিয়া সরকারকে, বিশেষভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ককে আমাদের মানবিক সুরক্ষা এবং এই সুন্দর দেশে একটি নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার জন্য গভীরতম কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই।' এই সহমর্মিতা ও সমর্থন তাদের এমন এক ভবিষ্যতের আশা দিয়েছে, যেখানে তারা নিরাপদে বসবাস করতে এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন বলে তারা উল্লেখ করেন।

এশিয়ান কাপের সময়কার পরিস্থিতি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর বিমান হামলা শুরু করার সময়ই অস্ট্রেলিয়ায় তাদের এশিয়ান কাপ অভিযান চলছিল। সেই সংকটময় পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার ইরান দলের ছয় জন খেলোয়াড় ও একজন সহায়ক স্টাফকে মানবিক ভিসা প্রদান করে। পরে পাঁচ জন মত পরিবর্তন করে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিলে কেবল পাসানদিদেহ ও রামেজানিসাদেহ অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিরাপত্তা উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া

এর আগে এশিয়ান কাপের একটি ম্যাচে কিছু খেলোয়াড় জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাদের 'যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক' বলে আখ্যা দেয়, যা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করে। গত মাসে দলের বাকি সদস্যরা তুর্কি সীমান্ত হয়ে উদ্বেগজনক এক যাত্রা শেষে ইরানে ফিরে যান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন জীবনের সূচনা

গত মাসে তারা এ-লিগ উইমেন্স দল ব্রিসবেন রোরের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করেছেন। তারা জানান, 'এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান মনোযোগ আমাদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং জীবন পুনর্গঠনের দিকে। আমরা এলিট অ্যাথলেট। অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের ক্রীড়া ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়াই এখনো আমাদের স্বপ্ন।'

এই ঘটনা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া জগতে মানবাধিকার ও নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনার সূত্রপাত করেছে। অস্ট্রেলিয়ার এই মানবিক পদক্ষেপ অন্যান্য দেশের জন্যও একটি উদাহরণ হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।