মরক্কো শনিবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডাকে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে। আজারেদিন ওউনাহি দুই গোল করে ম্যাচের নায়ক হয়েছেন। স্কোরলাইন মরক্কোর পক্ষে গেলেও বাস্তবে ম্যাচটি অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল।
প্রথমার্ধে কানাডার আধিপত্য
ম্যাচের শুরু থেকেই কানাডা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে মরক্কোকে চাপে ফেলে দেয়। সহ-আয়োজক কানাডা প্রথম ২৮ মিনিটে বেশ কিছু গোলের সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি। অন্যদিকে, মরক্কো প্রথম ২৮ মিনিটে কোনো শটই নিতে পারেনি। ২০২২ সালের সেমি-ফাইনালিস্ট মরক্কো শুরুতেই ধাক্কা খায় যখন টুর্নামেন্টে তিন গোল করা ইসমাইল সাইবারি ২২তম মিনিটে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে মাঠ ছাড়েন। তার জায়গায় আসেন সোফিয়ান রাহিমি।
দ্বিতীয়ার্ধে মরক্কোর উত্থান
প্রথমার্ধে কানাডার চাপ সামলে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মরক্কো গোল করে বসে। ৫০তম মিনিটে আচরাফ হাকিমি ডান দিক থেকে নিচু পাসে ফ্রি-কিক রুটিনে ওউনাহিকে বল পৌঁছে দেন, যিনি ২৫ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়ান। এই গোল কানাডার মনোবল ভেঙে দেয়। কানাডাকে তাদের তারকা খেলোয়াড় আলফোনসো ডেভিসকে ছাড়াই খেলতে হয়, যিনি পুরো টুর্নামেন্টে ফিটনেস সমস্যায় ভুগছিলেন।
শেষ মুহূর্তে আরও দুই গোল
৮২তম মিনিটে মরক্কো আরেকটি গোল করে। চার বনাম দুই আক্রমণে ব্রাহিম দিয়াজ ওউনাহিকে বল দিলে তিনি জোরালো শটে বল উপরের কোণে জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। এরপর যোগ করা সময়ে আরেকটি দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে বদলি খেলোয়াড় রাহিমি তৃতীয় গোল করে ম্যাচের ফল ৩-০ নির্ধারণ করেন। মরক্কো এখন ৯ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে প্যারাগুয়ে ও ফ্রান্সের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে।



