ইরানের ফুটবল ফেডারেশন অবশেষে ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে শর্ত সাপেক্ষে। শনিবার ফেডারেশন জানিয়েছে, জাতীয় দল আসন্ন বিশ্বকাপে খেলবে, কিন্তু আয়োজক দেশগুলোর কাছে ১০টি শর্ত পেশ করেছে।
গ্রুপ ‘জি’তে ইরানের প্রতিপক্ষ
গ্রুপ ‘জি’তে ইরানের প্রতিপক্ষ হলো নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসর। আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে দলটি।
শর্তের কারণ কী?
গত মাসে ফিফা কংগ্রেসে অংশ নিতে ইরানের ফেডারেশন প্রধানকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিল কানাডা। এই ঘটনার পর তিন আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার আগে কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে ইরান।
শর্তগুলো কী কী?
ইরানিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট মাহদি তাজ রাষ্ট্রায়ত্ত টিভিকে জানান, বিশ্বকাপে অংশ নিতে ১০টি শর্ত দিয়েছে তারা। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- টুর্নামেন্ট চলাকালে ভিসা প্রদান
- জাতীয় দলের স্টাফ, পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান
- বিমানবন্দর, হোটেল ও স্টেডিয়ামে যাওয়ার সময় রাস্তায় কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
ইরানিয়ান ফেডারেশন তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বলেছে, ‘আমরা ২০২৬ বিশ্বকাপে অবশ্যই অংশ নেবো। কিন্তু আয়োজকদের আমাদের উদ্বেগগুলোও বিবেচনায় আনতে হবে।’
তারা আরও বলেছে, ‘আমরা বিশ্বকাপে অংশ নেবো, কিন্তু আমাদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও দৃঢ় প্রত্যয় থেকে এতটুকু বিচ্যুত না হয়ে।’
ভিসা ইস্যুতে বিশেষ জোর
ইরানিয়ান ফুটবল প্রধান বলেন, ‘সব খেলোয়াড় ও টেকনিক্যাল স্টাফ, বিশেষ করে যারা আইআরজিসিতে সামরিক দায়িত্ব পালন করেছে, যেমন মেহদি তারেমি ও এহসান হাজসাফি। তাদের সবাইকে কোনো ঝামেলা ছাড়াই ভিসা প্রদান করতে হবে।’
ইরান জানিয়েছে, তারা বিশ্বকাপে অংশ নেবে, কিন্তু আয়োজকদের তাদের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। এই শর্ত মেনে নিলেই কেবল ইরান মাঠে নামবে।



