বাফুফের পরিকল্পনা: ১ বছরে ৭০ ফুটবল টুর্নামেন্ট
বাফুফের পরিকল্পনা: এক বছরে ৭০টি ফুটবল টুর্নামেন্ট

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আগামী এক বছরে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ৭০টি ফুটবল কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রতিযোগিতা, ভেন্যু ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে বৈঠকে বসে বাফুফে। মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী মৌসুমের পূর্ণাঙ্গ বর্ষপঞ্জি উপস্থাপন করা হয়। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল বাফুফের সঙ্গে তার দ্বিতীয় বৈঠক।

ঘরোয়া ফুটবলে ২৩ প্রতিযোগিতা

বাফুফের প্রস্তাবিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী বছর ঘরোয়া পর্যায়ে ২৩টি প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, ফেডারেশন কাপ, স্বাধীনতা কাপ, চ্যালেঞ্জ কাপ, সুপার কাপ, জেলা ফুটবল ও পাইওনিয়ার লিগসহ বিভিন্ন তৃণমূলভিত্তিক প্রতিযোগিতা রয়েছে। আগামী বছরের ৮ থেকে ২২ জানুয়ারি সুপার কাপ আয়োজনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে স্কুল ফুটবল, বিচ সকার ও বিভাগীয় মহিলা ক্লাব ফুটবল লিগের ভেন্যু ও সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যস্ত সময়

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও ব্যস্ত সময় কাটাবে বাংলাদেশ ফুটবল। ফিফা, এএফসি ও সাফের অধীনে ৪৭টি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম বর্ষপঞ্জিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ও সিনিয়র পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় দেশের বাইরে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি টুর্নামেন্ট আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। বৈঠকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। যদিও এই টুর্নামেন্ট সেপ্টেম্বরে না হয়ে নভেম্বরে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বাফুফের বর্ষপঞ্জিতে এখনো সেপ্টেম্বরকেই সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে। সম্ভাব্য ভেন্যু ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম, সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়াম।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও মাঠ সংকট

এছাড়া ২০৩০ বিশ্বকাপ ও ২০২৭ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে শহীদ জিয়ার নামে একটি আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের, যদিও সময় ও ভেন্যু এখনো নির্ধারিত হয়নি। বৈঠকে মাঠ সংকটের বিষয়টিও উঠে আসে। সিলেট, চট্টগ্রাম ও কমলাপুর স্টেডিয়াম বাফুফের ব্যবহারের জন্য হস্তান্তরের আলোচনা চললেও এখনো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বাফুফের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ফুটবলের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।