লিওনেল মেসির আয় প্রকাশ করলেন ইন্টার মায়ামির সহমালিক, বছরে ৭-৮ কোটি ডলার
মেসির আয় প্রকাশ: বছরে ৭-৮ কোটি ডলার ইন্টার মায়ামি থেকে

লিওনেল মেসির আয় নিয়ে প্রকাশ্যে তথ্য দিলেন ইন্টার মায়ামির সহমালিক

ফুটবল তারকাদের আয় নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল সবসময়ই থাকে, কিন্তু প্রকাশ্যে এই তথ্য খুব কমই পাওয়া যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যম বা পরিসংখ্যানভিত্তিক সাইটের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে এবার ইন্টার মায়ামির সহমালিক হোর্হে মাস সরাসরি জানালেন লিওনেল মেসির আয়ের বিস্তারিত।

মেসির আয়: বছরে ৭ থেকে ৮ কোটি ডলার

হোর্হে মাসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইন্টার মায়ামি থেকে মেসি বছরে ৭ থেকে ৮ কোটি ডলার আয় করেন। এই আয়ের মধ্যে ক্লাবে তার মালিকানার অংশ থেকেও প্রাপ্ত অর্থ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মাস বলেন, "খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক অনেক বেশি। সে কারণেই আমার বিশ্বমানের স্পনসর দরকার। আমি মেসিকে পারিশ্রমিক দিই বছরে সব মিলিয়ে ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলার। সে প্রতিটি ডলারের যোগ্য।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমন বড় ব্যয় সামাল দিতে স্পনসরশিপ ও অন্যান্য উৎস থেকে আয় বাড়ানো ক্লাবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি মায়ামি ব্রাজিলের আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ন্যু হোল্ডিংয়ের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে, যার ফলে ক্লাবের নতুন স্টেডিয়ামের নামকরণের স্বত্ব প্রতিষ্ঠানটি পাবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এমএলএসের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত মেসি

মেসি বর্তমানে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া খেলোয়াড়। এমএলএস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত বেতন নির্দেশিকা অনুযায়ী, তার মূল বেতন ১২ মিলিয়ন ডলার এবং সব মিলিয়ে নিশ্চিত পারিশ্রমিক ২০.৪৫ মিলিয়ন ডলার। তবে মাসের দেওয়া ৭০-৮০ মিলিয়ন ডলারের পরিসংখ্যান এর চেয়ে অনেক বেশি, যা মূলত ক্লাবের মালিকানা ও অন্যান্য লাভজনক চুক্তি থেকে প্রাপ্ত আয়কে নির্দেশ করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মেসির আগমনের পেছনে দীর্ঘ প্রস্তুতি

ইন্টার মায়ামির ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সভাপতি হ্যাভিয়ার অ্যাসেনসি ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মেসির ক্লাবে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে অনেক আগ থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছিল। তিনি বলেন, "আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি না। আমার কাছে ভাগ্যের সংজ্ঞা হলো, প্রস্তুতি ও সুযোগের মিলন। লিওনেলের আগমন কোনো আকস্মিক বিষয় নয়; এর পেছনে আছে পরিকল্পনা, কৌশল এবং দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি।"

২৬ হাজার ৭০০ দর্শক ধারণক্ষমতার নির্মাণাধীন ন্যু স্টেডিয়ামে আগামী ৪ এপ্রিল প্রথম ম্যাচ আয়োজনের কথা রয়েছে, যা ক্লাবের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।