টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লো ভারত, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে তৃতীয় শিরোপা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লো ভারত, তৃতীয় শিরোপা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লো ভারত, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে তৃতীয় শিরোপা

২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আক্ষেপ ভুলে গিয়ে এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়ী হয়েছে ভারত। আহমেদাবাদের একই ভেন্যুতে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে প্রথমবার ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে সূর্যকুমার যাদবের দল। এই জয়ের মাধ্যমে তারা তৃতীয় শিরোপা জেতা প্রথম দল হিসেবে ইতিহাস গড়েছে এবং টানা দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে, যা সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে তাদের আধিপত্যেরই প্রমাণ দিচ্ছে।

ফাইনালের ম্যাচ সারাংশ

ফাইনালে টস হেরেও ব্যাটিং করে ভারত ৫ উইকেটে ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের সর্বোচ্চ স্কোর এবং আহমেদাবাদের মাঠেরও সর্বোচ্চ স্কোর। সার্বিকভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে নিউজিল্যান্ড ২৫৬ রানের লক্ষ্যে লড়াই করতে গিয়ে ১৯ ওভারে মাত্র ১৫৯ রানে অলআউট হয়ে যায়, ফলে ভারত ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়।

ভারতের ব্যাটিং তাণ্ডব

নিউজিল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে উপেক্ষা করে ভারতের ব্যাটাররা দারুণ পারফর্ম করেছে। অভিষেক শর্মা মাত্র ১৮ বলে ফিফটি করে শুরুতেই দ্রুতগতির ভিত গড়ে দেন, যেখানে ৬ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় বিনা উইকেটে ৯২ রান। সাঞ্জু স্যামসন ৪৬ বলে ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল ৫টি চার ও ৮টি ছক্কা। ইশান কিশানও ২৫ বলে ৫৪ রান করে দলের সংগ্রহকে আরও শক্তিশালী করেন। শেষ দিকে শিবম দুবে ৮ বলে ২৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের স্কোর আড়াইশ পার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং বিপর্যয়

নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে টিকতে পারেনি। তারা কখনোই লক্ষ্যের কাছাকাছি যেতে পারেনি এবং দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে। ভারতের বোলাররা নিয়মিত উইকেট শিকারে সফল হয়, যা নিউজিল্যান্ডের জন্য ম্যাচটি দুর্বিষহ করে তোলে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিরোপার তাৎপর্য

এই জয় ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারার পর তারা এবার ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। এটি তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে, বিশেষ করে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে তাদের দাপট প্রতিষ্ঠিত করেছে।