ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে মোহাম্মদ নাঈম ১১তম সেঞ্চুরি করেছেন। ইউল্যাব ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মোহামেডানের হয়ে ১৩৬ বলে ১৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ৫টি চার ও ১২টি ছক্কা ছিল। তাঁর দল ৬ উইকেটে ৩৪৫ রান সংগ্রহ করে। রান তাড়ায় রূপগঞ্জ টাইগার্স ১৬.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ৫৩ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়। আগামীকাল একই স্থান থেকে ম্যাচ শুরু হবে।
গুলশানের প্রথম জয়
গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের শাহাদত হোসেন সবুজ অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে ১২১ বলে ১৩২ রানের ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংসে ১৭টি চার ও ১টি ছক্কা ছিল। চতুর্থ উইকেটে শাহরিয়ার সাকিবের (৭৫) সঙ্গে ১৮৭ রানের জুটি গড়েন। তাতে গুলশান ৫ উইকেটে ৩০১ রান করে। অগ্রণী ব্যাংক বৃষ্টির পর ডিএলএস পদ্ধতিতে ২৬ ওভারে ১৯৩ রানের লক্ষ্য পায়, কিন্তু ২৪.২ ওভারে ১৩২ রানে অলআউট হয়ে ৬০ রানে হেরে যায়। এটি এবারের লিগে গুলশানের প্রথম জয়।
সিটি ক্লাবের নাটকীয় জয়
ঢাকা লেপার্ডসের বিপক্ষে সিটি ক্লাব নাটকীয়ভাবে ১ রানে জয় পায়। জাকির হাসানের ১৩৪ বলে ১৩৭ রানের সেঞ্চুরির সুবাদে লেপার্ডস ৯ উইকেটে ৩০৬ রান করে। জবাবে সিটি ক্লাব ২০.১ ওভারে ১ উইকেটে ৯৬ রান তোলে, এরপর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়। ডিএলএস পদ্ধতিতে ঠিক ৯৬ রানের লক্ষ্য ছিল সিটির, যা তারা অর্জন করে। মিজানুর রহমানের (৫৪) শেষ ওভারের টানা দুই চার জয় নিশ্চিত করে।
আবাহনী–ব্রাদার্স ম্যাচ বৃষ্টিতে স্থগিত
পিকেএসপিতে আবাহনী ৬ উইকেটে ২৮৩ রান করে। মাহিদুল ইসলাম ১১৩ বলে ৮৩, এস এম মেহেরব হাসান ৭৬ বলে ৭৭ ও মোসাদ্দেক হোসেন ৪০ বলে ৬২ রান করেন। ব্রাদার্স ১২ ওভারে ১ উইকেটে ৪৯ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়। আগামীকাল সকাল ৯টায় ব্রাদার্স রান তাড়া শুরু করবে।
প্রাইম ব্যাংকের টানা তৃতীয় জয়
লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ২২৭ রানে অলআউট হয়। জবাবে প্রাইম ব্যাংক ২৫.৪ ওভারে ২ উইকেটে ১০৮ রান তোলে, এরপর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়। ডিএলএস পদ্ধতিতে নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে ২০ রানে এগিয়ে থাকায় প্রাইম ব্যাংক টানা তৃতীয় জয় পায়। ওপেনার শাহাদাত হোসেন দীপু ৬১ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের দ্বিতীয় জয়
ক্রিকেটার্স একাডেমি মাঠে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স ২৩৫ রান করে। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ১৯ ওভারে ৩ উইকেটে ৮৯ রান তোলার পর বৃষ্টি শুরু হয়। পরে ৩৪ ওভারে ১৯৪ রানের লক্ষ্য পায় গাজী গ্রুপ, কিন্তু ৩২.১ ওভারে ১৮৩ রানে অলআউট হয়ে ১০ রানে হেরে যায়। স্ট্রাইকার্সের লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম ৩৯ রানে ৪ উইকেট নেন।



