কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। খেলাধুলা শুধু শারীরিক ও মানসিক বিকাশই ঘটায় না, বরং তরুণদের জন্য দ্রুত পরিচিতি ও সাফল্যের দ্বারও খুলে দেয়।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ উদ্বোধন
শনিবার (২ মে) সন্ধ্যায় কুমিল্লার শহীদ ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়ামে 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬'-এর জেলা পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিন উর রশিদ বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' আয়োজনের মাধ্যমে জেলা পর্যায় থেকে মেধাবী খেলোয়াড় খুঁজে বের করা সম্ভব হবে, যারা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
হাওর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য উদ্যোগ
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকার তথ্য নিয়মিতভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধগুলো স্থায়ীভাবে সংস্কারের পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।
ধান সংগ্রহে ন্যায্যমূল্য
ধান সংগ্রহ কার্যক্রম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ন্যায্যমূল্যে ধান সংগ্রহ করা হবে। এতে কৃষকরা বাজারমূল্যের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি লাভবান হতে পারবেন। এছাড়া হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিনমাসের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যেও সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।



