নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ড ধ্বস্ত, বাংলাদেশের জয়
তীব্র গরমে যেখানে নাজমুল হোসেন শান্তকে ব্যাট করার সময় অস্বস্তিতে দেখা গেছে, সেখানে একের পর এক আগুনে ডেলিভারিতে নিউজিল্যান্ড ব্যাটারদের নাভিশ্বাস তুলেছেন নাহিদ রানা। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তার গতিময় বোলিংয়েই পুরোপুরি পরাস্ত হয়েছে কিউই দল। তাতে ভর করে বাংলাদেশ পেয়েছে সিরিজে ফেরার টিকিট এবং জিতেছে ৬ উইকেটে।
গরমেও অপ্রতিরোধ্য নাহিদ রানা
সোমবার মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ৩২ রান দিয়ে বল হাতে দারুণ সাফল্য দেখান ২৩ বছর বয়সী এই পেসার। অথচ খেলা যখন চলেছে, তখন তাপমাত্রা ছিল ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কড়া রোদের মধ্যেও রানা ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ডানহাতি এই পেসার পুরো স্পেলজুড়েই ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করেছেন। শুধু নিক কেলিকে করা একটি স্লোয়ার ডেলিভারি ছিল ১১২ কিলোমিটার গতির। প্রচণ্ড গরমেও গতি বা তেজ কমাননি তিনি।
ফিটনেসের রহস্য উন্মোচন
সূর্যের তেজের মাঝেও কিভাবে নিজের গতির তেজ ধরে রাখছেন তিনি? ম্যাচ শেষে রানা বলেছেন, ‘প্রথমেই আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে ফিট রেখেছেন। ফিটনেস নিয়ে আমি অনুশীলনের বাইরে এবং অনুশীলনের সময়ও ট্রেনারের সঙ্গে কাজ করি। কীভাবে আরও উন্নতি করা যায়, তা নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করি। যাতে ম্যাচে বল করার সময় মনে হয় আমি ক্লান্ত হচ্ছি না। অফ টাইমে যা যা করা দরকার—জিম, দৌড় বা নিজের যত্ন—সেগুলো ভালোভাবে করার চেষ্টা করি।’
দলের জন্য পারফরম্যান্স
পারফরম্যান্স নিয়ে রানার কথা, ‘আমি সব সময় এমনভাবে পারফর্ম করতে চাই, যা দলের কাজে লাগে। সেটা একটি স্পেল হতে পারে, একটি ওভারও হতে পারে—যেকোনো সময়ই সম্ভব। যদি একটি ভালো ওভারও দলকে জিততে সাহায্য করে, সেটাই আমার জন্য যথেষ্ট। আমার কাছে উইকেটের চেয়ে দলকে জেতাতে পারাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
ইয়র্কার ডেলিভারির উন্নতি
নিজের ইয়র্কার ডেলিভারি নিয়ে করা প্রশ্নে সংযত ছিলেন রানা। এটি এখন তার বোলিংয়ের অন্যতম অস্ত্র, ‘সময়ের সঙ্গে আমি আমার দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। শন কিংবা বাংলাদেশের কোচদের সঙ্গে কাজ করি। অনুশীলনে ইয়র্কার প্রয়োগ করার চেষ্টা করি। যদি দেখি এটি শতভাগ সফল হচ্ছে, তখন ম্যাচেও তা প্রয়োগ করি।’



