জিএসএফ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন মমিনপুর জাগরণী ক্লাব
জিএসএফ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন মমিনপুর জাগরণী ক্লাব

রাজধানীর শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে আয়োজিত জিএসএফ স্কিম সেংআ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মমিনপুর খ্রিষ্ট জাগরণী ফুটবল ক্লাব। ফাইনালে তারা মৃ দ্য কিং অব মাহারি ফুটবল দলকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়। শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই ফাইনাল ম্যাচটি ছিল দুই দিনব্যাপী টুর্নামেন্টের সমাপ্তি পর্ব।

টুর্নামেন্টের আয়োজন ও অংশগ্রহণ

গারো স্টুডেন্ট ফেডারেশন (জিএসএফ) এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। গত শুক্রবার শুরু হওয়া আসরে দেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর ২২টি দল অংশগ্রহণ করে। টুর্নামেন্টটি ছিল ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

পুরস্কার ও বিজয়ী দল

চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি ও এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। রানার্সআপ দল পায় ট্রফি ও ৫০ হাজার টাকা। তৃতীয় স্থান (সেকেন্ড রানার্সআপ) অর্জন করে ‘ভিআইপি গজনি’ দল, যাদের দেওয়া হয় ১৫ হাজার টাকা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধান অতিথির বক্তব্য

ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বিজয়ী ও রানার্সআপ দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘খেলাধুলায় জয়-পরাজয় থাকলেও অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলার মাধ্যমে সহমর্মিতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠে, যা সমাজের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশে কাজ করছে। রাঙামাটি, মধুপুর ও ময়মনসিংহের ধোবাউড়া-কলসিন্দুর অঞ্চলের ক্রীড়া সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এসব অঞ্চলে দুটি বিকেএসপি প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় আমিনুল হক ক্রীড়াবান্ধব ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানের অন্যান্য অতিথি

জিএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রলয় নকরেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ‘দি খ্রিস্টিয়ান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড’–এর চেয়ারম্যান মাইকেল জন গমেজ, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ এবং ঢাকা ওয়ানগালার সাবেক নকমা সুকলেশ নকরেক প্রমুখ।

টুর্নামেন্টটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর খেলোয়াড়দের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং তাদের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।