প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পার্বত্য নৃগোষ্ঠীর উৎসবে আন্তরিক শুভেচ্ছা
পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষে পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসাধারণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১২ এপ্রিল) শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি এই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন, যা বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
জাতীয় জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উৎসব
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সম্প্রদায় অথবা পাহাড় কিংবা সমতলে বসবাসকারী সবাই— বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায় এবং পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সবার ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এসব উৎসব জাতীয় জীবনে শান্তি ও আনন্দ বয়ে নিয়ে আসবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
পার্বত্য সংস্কৃতির গৌরবময় অবদান
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে গৌরবময়, প্রাচুর্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে।” মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে, যা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিশ্বে উজ্জ্বল করে তুলেছে।
সবার সমান অধিকার ও নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সারা বিশ্বে দেশের মর্যাদায় এক উজ্জ্বলতর ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে।” তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করেন যে, দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সব নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শুভকামনা ও আশাবাদ
সবশেষে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর এই প্রধান সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সবার জীবনে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। এই উৎসবগুলো জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে কাজ করবে, যা দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।



