প্রসাধনী ছাড়াই সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন ঈশা আম্বানি
প্রসাধনী ছাড়াই নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন ঈশা আম্বানি

প্রসাধনী ছাড়াই সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন ঈশা আম্বানি

ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানির কন্যা ঈশা আম্বানি শুধু পোশাকশিল্পেই নয়, ত্বকচর্চার ক্ষেত্রেও নিজস্ব ধারা অনুসরণ করেন। তিনি কোনো প্রকার প্রসাধনী ব্যবহার না করেই নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন। তার মতে, নিখুঁত ত্বকের রহস্য কোনো ক্রিম, সিরাম বা সানস্ক্রিন নয়; বরং ত্বকের ওপর কোনো প্রলেপ না রাখাই ভালো। তিনি বাহুল্যবর্জিত চর্চার পক্ষপাতী এবং কোনো বিউটি রুটিন অনুসরণ করেন না।

মিনিমাল স্কিন কেয়ার: কিছু না করার দর্শন

ঈশা আম্বানির দাবি, ‘কিছু না করার’ দর্শনই তার ত্বকের যত্নের মূলমন্ত্র। ফ্যাশন শো বা অনুষ্ঠানেও তিনি ন্যূনতম মেকআপ বা নো-মেকআপ লুক পছন্দ করেন। তিনি বলেন, “শুনে অনেকেরই ভালো লাগবে না, কিন্তু আমার কোনো বিউটি রুটিন নেই। ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, এসপিএফ— কিছুই ব্যবহার করি না।” এই অভ্যাস ‘মিনিমাল স্কিন কেয়ার’ প্রবণতাকে নির্দেশ করে, যেখানে যত কম ব্যবহার করা যায়, তত ভালো বলে মনে করা হয়।

তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করেন যে সবার জন্য এই পদ্ধতি উপযোগী নয়। সানস্ক্রিন ও ময়েশ্চারাইজার ত্বকের জন্য অপরিহার্য হতে পারে, বিশেষ করে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে। ত্বকের নিজস্ব ভারসাম্য রক্ষায় অতিরিক্ত প্রসাধনী এড়িয়ে চলা ভালো, কিন্তু সম্পূর্ণভাবে প্রসাধনী বর্জন করা সবার জন্য নিরাপদ নয়। তাই নিজের ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মেট গালায় ‘লিভিং ক্যানভাস’ লুকে ভাইরাল ঈশা

২০২৬ সালের মেট গালায় ঈশা আম্বানি ‘লিভিং ক্যানভাস’ থিমে অংশ নেন। এই আয়োজনের থিম ছিল ‘Fashion is Art’। তিনি পরেছিলেন একটি কাস্টমমেড শাড়ি, যা তার থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তার হাতে ছিল শিল্পী সুবোধ গুপ্তার তৈরি ২০ বছরের পুরোনো সোনার প্রলেপ দেওয়া ‘আম’-এর শিল্পকর্ম, যার বাজারমূল্য প্রায় ৯৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এই শিল্পকর্ম ভারতীয় সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধি ও আভিজাত্যের প্রতীক।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈশার পরনে থাকা শাড়ির বুনন ও ড্র্যাপিং তাকে অপার্থিব সৌন্দর্য দান করেছিল। তিনি মা নীতা আম্বানির ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে হীরা ও পান্নার হেরিটেজ জুয়েলারি বেছে নিয়েছিলেন, যা তার লুকে রাজকীয় আভিজাত্য যোগ করেছিল। মেট গালায় প্রায় ৪৫০ তারকা অতিথি অংশ নেন, যেখানে জেফ বেজোস ও তার স্ত্রী লরেন সানচেজ বেজোস সহসভাপতি ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

ঈশা আম্বানির এই লুক শুধু ফ্যাশন নয়, ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত দলিল হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে। তার মিনিমাল স্কিন কেয়ার পদ্ধতি ও মেট গালার ‘লিভিং ক্যানভাস’ লুক বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।