বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই রিজার্ভ ছিল ৪২ বিলিয়ন ডলার। এই হ্রাসের মূল কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় কমে যাওয়াকে দায়ী করছেন।
রিজার্ভ হ্রাসের কারণ
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। অন্যদিকে, করোনা মহামারির পর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ধীর হওয়ায় রপ্তানি আয় তেমন বাড়েনি। এছাড়া রেমিট্যান্স প্রবাহও কিছুটা কমেছে।
অর্থনীতিতে প্রভাব
রিজার্ভ কমে যাওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। টাকার মান কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে ডলার সংকট মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার কমানো এবং বিলাসবহুল পণ্য আমদানি সীমিত করা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিজার্ভ আরও কমতে পারে যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়। তবে সরকার আশা করছে, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বাড়িয়ে পরিস্থিতি উন্নত করা সম্ভব হবে।



