মন খারাপ দূর করতে খাদ্যতালিকায় রাখুন যেসব খাবার
মন খারাপ দূর করতে খাদ্যতালিকায় রাখুন যেসব খাবার

হঠাৎ মন খারাপ, মেজাজ গরম—এমন পরিস্থিতি মনকে চাঙা রাখতে আপনাকে ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। সে জন্য আপনার খাদ্যতালিকার জীবনযাপনেও কিছু বদল আনা প্রয়োজন। তাতেই আরও সুন্দর হবে জীবন।

মন খারাপের কারণ ও খাদ্যের ভূমিকা

দিব্যি হাসিঠাট্টা করছেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মন খারাপ। যেন আর কিছুই ভালো লাগছে না। আচমকা রেগে যাচ্ছেন। কাউকে কুকথা বলছেন। আবার কখনো একটুতেই আবেগপ্রবণ হয়ে কেঁদে ফেলছেন। এমন সমস্যার শিকার হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। তবে কিছু ঘরোয়া টোটকায় খাবারদাবার বদলেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন। এতে আপনার মনমানসিকতা ভালো থাকবে, চনমনে মেজাজ ফিরে আসবে। কারণ কলা, ওটস, ডার্ক চকলেট কিংবা ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখবে। এ খাবারগুলোতে থাকা পুষ্টি উপাদান মস্তিষ্কে ডোপামিন ও সেরেটোনিনের মতো 'হ্যাপি হরমোন' বাড়াতে সাহায্য করে থাকে।

ডার্ক চকলেট ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার

আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার একেবারে শুরুতেই রাখতে পারেন ডার্ক চকোলেট। এতে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ৭০ শতাংশ কোকো, যা সেরোটোনিন নিঃসরণে সাহায্য করে থাকে। কারণ এই সেরোটোনিন আপনার শরীরের পক্ষে উপকারী হরমোনগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই ডার্ক চকোলেট খেলে নিমেষে দূর হতে পারে আপনার মন খারাপ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আবার ওমেগা থ্রিও আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই উদ্বেগ কাটিয়ে মনকে আবার চাঙা করে তোলার জন্য ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ মাছ খেতে পারেন। খেতে পারেন আমন্ড, ফ্ল্যাক্সসিডস। তাতেও বারবার মেজাজ বিগড়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার

কালোজাম ও স্ট্রবেরিতেও থাকে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা মনমেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই এ ধরনের খাবার খেতে পারেন। এ ছাড়া দই ও আচারের মতো খাবারও আপনার সেরোটোনিনের মতো ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসরণে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তাই এগুলোও চাইলেও খেতে পারেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জীবনযাপনের কিছু পরিবর্তন

আবার খাদ্যতালিকার পাশাপাশি আপনার জীবনযাপনেও কিছু বদল আনা প্রয়োজন। তাতেই আরও সুন্দর হবে জীবন। এই যেমন— ভুল করেও ঘুমাতে যাওয়ার আগে মোবাইল স্ক্রল করবেন না। ঘুম থেকে উঠেও মোবাইল দেখবেন না। কিছুক্ষণ মোবাইল থেকে বিরত থাকুন। আর রাতে ভালো করে ঘুমান। ভালো ঘুম হওয়া মানেই আপনার শরীর সুস্থ। আর মেজাজও চাঙা থাকবে। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠুন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটু হেঁটে আসুন। কিংবা জানালার পাশে চা কিংবা কফি হাতে বসুন। নিজেকে কিছুটা সময় দিন। বিশেষ করে সকালে যোগব্যায়াম ও নাচানাচিও করতে পারেন। তাতে এন্ডোর্ফিন নির্গত হবে, যা আপনার শরীরকে দিনভর চাঙা রাখতে সাহায্য করবে।