প্যারিসের উপকণ্ঠ পন্তাঁ এলাকায় অবস্থিত হোটেল ক্যাম্পানিলের বলরুমে ইউরোপভিত্তিক বাংলা মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এমআইবি টেলিভিশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়, যা অনুষ্ঠানটিকে এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত করে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এমআইবি টেলিভিশনের চেয়ারম্যান রিপন বড়ুয়া এবং সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব নিউজ ফয়সাল আহমেদ দ্বীপ।
উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান সাত্তার আলী সুমন শাহ আলম, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সালেহ আহমদ চৌধুরী, আশরাফ ইসলাম, আলী শাহেদ, আসাদ আলম বেপারী, পর্তুগালের ব্যবসায়ী ফখরুল আলম, মোল্লা আব্দুর রহিম, বিএনপি নেতা এস এম মিল্টন সরকার, কৃষি উদ্যোক্তা আরিফ হোসেন রিগান, মিজানুর রহমান সরকার, বাংলাদেশ ফার্নিচারের চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, এস এ ওয়ার্ল্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান সাব্বির আহমেদ, চট্টলা ট্রেডিংয়ের চেয়ারম্যান টিটু বড়ুয়া, আরিফ হোসেন, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, রিয়াদ হোসেন, আসাদ রেজা, খুলনা সমিতির সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব এবং বিকশিত নারী সংঘের সভাপতি তৌফিকা শাহেদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফাতেমা খাতুন (শাহ গ্রুপের সিইও ও ফ্রান্স ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য), ইঞ্জিনিয়ার সাইফুর চৌধুরী (জার্মানি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্সের প্রতিনিধি এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
বক্তাদের মূল্যায়ন ও সম্মাননা
বক্তারা প্রবাসে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও কমিউনিটির খবর পরিবেশনায় এমআইবি টেলিভিশনের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তারা উল্লেখ করেন, গত ৮ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি প্রবাসীদের জীবন, অর্জন ও সমস্যার চিত্র তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। অনুষ্ঠানে এমআইবি টেলিভিশনের সাফল্য, অগ্রযাত্রা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সমাজ, সাংবাদিকতা, ব্যবসা ও কমিউনিটি উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
স্মরণীয় মিলনমেলা
সব মিলিয়ে আনন্দ, ঐক্য ও সৌহার্দ্যের পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক স্মরণীয় ও সফল মিলনমেলায় পরিণত হয়।



