বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের নববর্ষ উদযাপন: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক আয়োজন
গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের নববর্ষ উদযাপন: শহীদ মিনারে আয়োজন

বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের নববর্ষ উদযাপন: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক আয়োজন

বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদ রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে। কবিতা, গান, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়, যেখানে শিল্পী ও সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।

অনুষ্ঠানের বিবরণ ও অংশগ্রহণকারী

মঙ্গলবার বিকেলে ‘আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে’ শিরোনামে এই বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। গণসংগীত সমন্বয় পরিষদভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে দলীয় সংগীতে অংশগ্রহণ করে ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী, ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী, বহ্নিশিখা, সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী, আনন্দন, ভিন্নধারা, সুরতাল, সমস্বর, উঠোন, উজান ও সুরনন্দন।

দলীয় নৃত্যে অংশ নেয় বহ্নিশিখা ও ধৃতি নর্তনালয়। একক সংগীত পরিবেশন করেন প্রলয় সাহা, আরিফ রহমান, আবিদা রহমান ও শ্রাবণী গুহ রায়। আর একক আবৃত্তিতে অংশ নেন আশরাফুল আলম। শিশু দল শিল্পবৃত্ত ও সুরতালের সদস্যরাও আবৃত্তি করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শুভেচ্ছা বক্তব্য ও প্রত্যাশা

গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের সহসভাপতি ও শিল্পী নিলুফার জাহান শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও সংস্কৃতিকর্মীদের জন্য গত বছরটি ছিল ঘটনাবহুল। সব গ্লানি ভুলে নতুন বছরটি সবার জীবনে অনেক সুখ–সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। বিগত বছরের সব কুসংস্কার বিলীন হয়ে যাবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

স্বাগত বক্তব্যে গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানজর চৌধুরী ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠীনির্বিশেষে বাংলাদেশ সবার বলে উল্লেখ করেন। তিনি সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘কয়েক দিন আগেও আবার সেই মব সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়ায় এক পীরকে হত্যা করা হলো। কিন্তু আমরা এ রকম একটি বাংলাদেশ চাই, যে বাংলাদেশে সব মত সব পথ সবাই আমরা একত্র হয়ে এ দেশের যে আদি সংস্কৃতি রয়েছে, সেই চর্চায় ব্রতী হতে পারি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও সভাপতিত্ব

মাহফুজা আক্তার ও এ কে আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান। এই আয়োজনটি বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।