বেচারাম দেউরির দেড়শ বছরের পুরোনো প্রাসাদটি আজ 'ইমরান হেরিটেজ হোম' নামে একটি রেস্তোরাঁয় রূপান্তরিত হয়েছে, যেখানে ইতিহাস ও আধুনিকতার চমৎকার সংমিশ্রণ ঘটেছে। এই প্রাসাদটি তার পুরোনো সভ্যতা ধরে রেখেছে এবং অতিথিদের জন্য উষ্ণ আতিথেয়তা প্রদান করে।
ঐতিহ্যের অলিন্দে নবজীবন
প্রাসাদের দেয়ালগুলো আজও সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ঝাড়বাতির ঝলমলে আলো, রাজকীয় দোলনা, পুরোনো আসবাব ও রূপোর থালা-বাসন প্রাসাদের ঐতিহ্যকে জীবন্ত করে রেখেছে। অতিথিরা এখানে শুধু রসনাবিলাসেই নয়, ইতিহাসের অলিন্দে ঘুরে ফিরে সুখ সঞ্চয় করতে পারেন।
শাহি খানা ও আতিথেয়তা
শাহি খানার খুশবু দেউরিতে পা রাখার সাথে সঙ্গেই অনুভূত হয় উষ্ণ আমন্ত্রণ। শীতল জাফরানি শরবত থেকে শুরু করে রাজকীয় খাবারের আয়োজন অতিথিদের মুগ্ধ করে। প্রাসাদের মেহমান নওয়াজিতে কোনো কার্পণ্যতা নেই বলেই জানান কর্তৃপক্ষ।
ঐতিহাসিক ছবি ও স্মৃতি
দেয়ালজুড়ে রাখা আছে বংশপরম্পরায় ঐতিহাসিক ছবি। সেই সঙ্গে আছে সেই পালঙ্ক, যেখানে একদা সুখনিদ্রায় বিভোর ছিলেন জাতীয় কবি। প্রাসাদের প্রতিটি ইট-পাথরে শোনা যায় পূর্বপুরুষের পদধ্বনি।
সময়ের প্রতীক
নদীর স্রোতের মতো সময় বয়ে যায়, কিন্তু কিছু প্রতীক রেখে যায়। ইমরান হেরিটেজ হোম সেই প্রতীকগুলোর একটি, যেখানে শিকড় জাগ্রত থাকায় মহল আজও প্রাণবন্ত। ঐতিহ্যের অলিন্দজুড়ে স্মৃতিরা চির জীবন্ত থাকুক—এই প্রত্যাশা কর্তৃপক্ষের।



