বাস্তব জীবনের সাথে মিল পেলেন মিম, 'লাইফলাইন' সিনেমা নিয়ে যা বললেন
বাস্তব জীবনের সাথে মিল পেলেন মিম, 'লাইফলাইন' নিয়ে যা বললেন

ঢালিউড অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেয়েছে 'লাইফলাইন' সিনেমা। নিজের বাস্তব জীবনের সঙ্গে এ সিনেমার গল্পের মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি

সিনেমার গল্প প্রসঙ্গে মিম বলেন, 'আর গল্পের বিষয়ে যদি বলি, এখানে যা দেখানো হয়েছে, আমার জীবন এমনই। আমি আমার মা-বাবার সঙ্গে খুব বেশি কানেক্টেড। অ্যান্ড তাদের এখন স্বাভাবিক সবারই বয়স হয়। এখন এমন একটা অবস্থা যে আমারও সেম জার্নিতেই আমাকে থাকতে হবে। হয় মা অসুস্থ হচ্ছেন, আর না হয় বাবা অসুস্থ হচ্ছেন।'

চরকির সঙ্গে এটিই মিমের প্রথম কাজ বলে জানিয়েছেন মিম। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এ অভিনেত্রী বলেন, 'সো এই টিমের সঙ্গে কাজ করে খুব ভালো লেগেছে। থ্যাংক ইউ সো মাচ আমার টিমকে এবং চরকিকে। আই এম সো হ্যাপি যে প্রথম কাজ এত সুন্দর একটা কাজ দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নির্মাতা ও অভিনয় প্রসঙ্গ

নির্মাতা কাজী আসাদের পরিচালনায় এ সিনেমাটি দর্শকদের চেনা জীবনের এক নতুন দৃষ্টিকোণ উন্মোচন করবে। 'লাইফলাইন'-এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। পুরো সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে মিমের চরিত্রের এক অভিনব সফর কেন্দ্র করে। আর এ যাত্রায় মিমের সহযোগী হিসেবে পর্দায় হাজির হয়েছেন রিজওয়ান পারভেজ। কঠিন আর দুর্গম রাস্তায় মিমকে বাইকে করে বিভিন্ন গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে দুজনের খুনসুটি ও ঝগড়া সব মিলিয়ে পর্দায় এক দারুণ রসায়ন দেখতে পাবেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা।

সম্প্রতি ফিল্মটির একটি বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনী শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে নিজের অভিজ্ঞতা ও আবেগ প্রকাশ করেন বিদ্যা সিনহা মিম। অভিনেত্রী বলেন, 'কখনোই মনে হয়নি যে আমরা শুটিংয়ে অ্যাক্টিং করছিলাম। যখন পাশ থেকে সাপোর্টটা আসে তখন অ্যাক্টিং অটো চলে আসে। তো অলওয়েজ মনে হচ্ছিল যে অনন্যা যাচ্ছে, অনন্যার জার্নি, অনন্যার বিষয় এটা।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেন, 'আপনারা তো ছবি দেখে বুঝেছেন যে, আমরা অনেক অনেক ভেতরে একটা জায়গাতে গিয়েছিলাম। শুটিংয়ে যাওয়ার আগে আমি আসাদ ভাইকে বলছিলাম যে, আমরা কেন কুয়াকাটার এত ভেতরে যাব? ঢাকার আশপাশেই করা যায়। এ রকম বলছিলাম। পরে ভাইয়া আমাকে বলছে— "আচ্ছা তুমি চলো আগে, তারপর জায়গাটাকে দেখো।" ' তিনি বলেন, 'তারপর যখন গেলাম, এমন জায়গায় গেছি যেখানে আসলে গাড়ি যাওয়ার পর বলতো যে বাইক নিয়ে যেতে হবে অথবা হচ্ছে ভ্যান। কারণ সেই পর্যন্ত গাড়ি যাবে না। তো যাওয়ার পর যেই জায়গাগুলো, লোকেশনগুলো দেখেছিলাম এবং যেই লোকেশনে আমরা শুট করেছিলাম, তারপর গিয়ে ভাইয়াকে আমি বললাম যে, "না আসলে মানে আমাদের গল্পের জন্য এরকমই একটা লোকেশন দরকার ছিল।" এই আর আমাদের টিম বেস্ট একটা টিম ছিল।'