রাশিয়ার দুই যুদ্ধজাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, চারদিনের শুভেচ্ছা সফর শুরু
রাশিয়ার দুই যুদ্ধজাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, শুভেচ্ছা সফর

রাশিয়ার দুই যুদ্ধজাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, চারদিনের শুভেচ্ছা সফর শুরু

রাশিয়ার নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ চারদিনের শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে ‘রেজকি’ ও ‘সোভারচেনি’ নামের জাহাজ দুটি বন্দরে নোঙর করে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অভ্যর্থনা ও আনুষ্ঠানিকতা

জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশের সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা ওমর ফারুক’ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অভ্যর্থনা জানায়। বন্দরে পৌঁছানোর পর চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের চিফ স্টাফ অফিসার সফরকারী জাহাজের অধিনায়ক, কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানান। ওই সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার উপ-রাষ্ট্রদূত, মিলিটারি, এয়ার ও নেভাল অ্যাটাশে এবং নৌবাহিনীর স্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সফরসূচি ও কার্যক্রম

আইএসপিআর বলছে, বাংলাদেশে অবস্থানকালে সফরকারী জাহাজগুলোর অধিনায়ক এবং রাশিয়ার উপ-রাষ্ট্রদূতসহ একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, এরিয়া সুপারিন্টেন্ডেন্ট, ডকইয়ার্ড এবং চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে জাহাজগুলোর কর্মকর্তা ও নাবিকরা বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে রাশিয়ান নাবিক ইউভি রেডকিনের সমাধিস্থল ‘রেডকিন পয়েন্টে’ পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়া তারা নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ ঘাঁটি ও জাহাজ পরিদর্শনের পাশাপাশি চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও নাবিকরাও রাশিয়ান জাহাজগুলো পরিদর্শন করবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন

আইএসপিআর বলছে, এ শুভেচ্ছা সফরের মাধ্যমে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও এতে আরও সুদৃঢ় হবে। আগামী ২৭ মার্চ জাহাজ দু’টি বাংলাদেশের জলসীমা ত্যাগ করবে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এই সফরটি বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ ধরনের বিনিময় কার্যক্রম দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও সমঝোতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।