মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা: আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে ভিসা বাতিল
মার্কিন দূতাবাসের সতর্কতা: ভিসা বাতিলের ঝুঁকি

মার্কিন দূতাবাসের কঠোর বার্তা: ভিসা বাতিলের নতুন নিয়ম

ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে। শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত একটি বিশেষ ভ্রমণসংক্রান্ত বার্তায় দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, ভ্রমণের সময় নিজের খরচ বহনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে বা সরকারি সুবিধার অপব্যবহার করলে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিল হতে পারে।

স্থায়ী অযোগ্যতার আশঙ্কা

দূতাবাসের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু ভিসা বাতিলের ঝুঁকিই বাড়ায় না, বরং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্থায়ী অযোগ্যতার কারণও হতে পারে। এতে বলা হয়, কোনো বিদেশি দর্শনার্থী যদি যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার করেন বা সেগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে

সব ধরনের ভিসাধারীদের জন্য প্রযোজ্য

এই নিয়মটি পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষার্থী, সাংবাদিকতা কিংবা ট্রানজিট—সব ধরনের নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীদের ক্ষেত্রেই কঠোরভাবে প্রযোজ্য হবে। মার্কিন দূতাবাসের বার্তায় আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় নিজের খরচ নিজে বহন করার মতো সক্ষমতা আছে কিনা, তা আগেভাগেই নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থায় যারা করদাতাদের অর্থে পরিচালিত চিকিৎসা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করবেন, তাদের ভিসা তাৎক্ষণিক বাতিল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ জরুরি

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের আবেদন করার সময়ই আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ দিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় দর্শনার্থীরা সেখানে গিয়ে স্থানীয় সরকারি সুবিধা বা বিনামূল্যে পাওয়া যায় এমন সেবার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের অনিয়ম রোধে ওয়াশিংটন আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

দূতাবাস অনুরোধ করেছে, সকল পর্যটক যেন তাদের সম্ভাব্য জরুরি খরচসহ সামগ্রিক ভ্রমণের জন্য পর্যাপ্ত তহবিলের প্রস্তুতি রাখেন। এই সতর্কতা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের সময় আইনি জটিলতা এড়াতে পারেন।